মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২৫, ২০২২ : ৭:০৪ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

উপশহরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ নেতার হামলা-ভাঙচুর, ব্যবসায়ীদের অবরোধ

88177_130স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট নগরীর শাহজালাল উপশহরে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল বেলা ২টার দিকে চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মাহমুদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী এ হামলা চালায় বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। জেলা ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ সংগঠনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এম. রায়হান চৌধুরী গ্রুপের নেতা। এই হামলার প্রতিবাদে বেলা আড়াইটায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা শাহজালাল উপশহর-শিবগঞ্জ ও উপশহর-মেন্দিবাগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
চাঁদাবাজি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত জেলা ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদকে পাঁচ ঘন্টার মধ্যে আটক করা হবে-মহানগর পুলিশের এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে আন্দোলনরত ব্যবসায়ীরা উপশহর সড়ক থেকে বিকেল ৪টায় অবরোধ তুলে নিয়েছেন। জানা যায়, বেলা ২টার দিকে উপশহর বি ব্লক মসজিদ মার্কেটের আল বারাকা টেলিকমে হামলা চালায় ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। এর প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেন ব্যবসায়ীরা।
শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন জানান, হামলার খবর পেয়ে জাকারিয়া মাহমুদকে আটক করতে পুলিশ শিবগঞ্জ সোনারপাড়া এলাকায় তার বাসায় অভিযান চালিয়েছে, তবে তাকে খোঁজে পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ব্যবসায়ীরা উপশহর সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে বিকেলে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মাহমুদ প্রায়ই এই এলাকার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি করেন। এর আগেও চাদা না দেওয়ায় উপশহর ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ভাঙচুর করেন জাকারিয়া। চাঁদাবাজির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে সেসময় পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছিলেন উপশহরের ব্যবসায়ীরা।
হামলার শিকার আল বারাকা টেলিকমের সত্ত্বাধিকারী জাকির আহমদ বলেন, কয়েকদিন আগে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মাহমুদ তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। রোববার সকালে এসে আবারও সে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে বেলা ২টার দিকে দলবল নিয়ে জাকারিয়া ছাত্রলীগ ক্যাডারদের নিয়ে তার দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার জেদান আল মুসা পাঁচ ঘন্টার মধ্যে জাকারিয়া মাহমুদকে আটকের আশ্বাস দিলে ব্যবসায়ীরা অবরোধ তুলে নেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে অবরোধ তুলে নেয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশের উপ কমিশনার জেদান আল মুসা বলেন, চাদাবাজ সন্ত্রাসী যে দলেরই হোক তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের মুখোমুখি করা হবে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : মন্দিরের জমি দখল নিতে পুরোহিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা

প্রভাবশালী এক আওয়ামী লীগ নেতার যোগসাজশে মন্দিরের জায়গা দখলের জন্য স্থানীয় কিছু লোক এসব ঘটনা …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open