সোমবার, অক্টোবর ২৫, ২০২১ : ৮:৩০ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

কে হচ্ছেন সিলেট জেলাপ্ররিষদেরপ্র্রশাসক?

সিলেট ভিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম: সিলেট জেলাপ্ররিষদেরপ্রশাসক হতে শুরু হয়েছে লবিং। স্থানীয় আওয়ামী লীগের হাফ ডজন নেতা এইপ্রদটি বাগিয়ে নিতে লবিংয়ে নেমেছেন। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলাপ্ররিষদেরপ্রশাসক আবদুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান মারা যাওয়ায়প্রদটি শূন্য হয়েছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর মারা যান স্থানীয় আওয়ামী লীগের এইপ্র্রবীণ নেতা। সুফিয়ান মারা যাওয়ার কয়দিন না যেতে না যেতেই তার শূন্যপদে জেলাপ্ররিষদেরপ্র্রশাসক হতে তৎপরপ্রদপ্রত্যাশীরা। যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে তারা হচ্ছেন- আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক গণপরিষদ সদস্য লুৎফুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জাতীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জকিগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাসুক আহমদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী।সম্মানজনক এইপ্রদটি বাগিয়ে নিতে তারা জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন সরকারের শীর্ষ মহলে। ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও মন্ত্রীদের আশীর্বাদ পেতে শুরু হয়েছে দৌড় ঝাঁপ। তবে এই মুহূর্তে এ নিয়ে সরকার কিছু ভাবছে না বলে জানান মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। নিজে এইপ্রদেপ্র্রার্থী হচ্ছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, শূন্যপদ তোপ্রূরণ করতেই হবে। এই জন্য কিছুটা সময়েরপ্র্রয়োজন। দীর্ঘদিনপ্র্রশাসকের দায়িত্বপ্রালনকারী আমাদের প্রিয় নেতা মারা গেছেন মাত্র কয়েকদিন হয়েছে। মৃত্যুরপ্ররবর্তী করণীয় অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এসব শেষ হোকপ্ররে বিষয়টি দেখা হবে।বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসারপ্রর স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলাপ্ররিষদ শাখারপ্র্রজ্ঞাপন জারি করে।প্র্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জেলাপ্ররিষদ আইন ২০০০ এর (৮২) ধারা মোতাবেক ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ানকে সিলেট জেলাপ্ররিষদেও প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। মৃত্যুরপূর্বপর্যন্ত তিনি জেলাপরিষদেরপ্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন। জাতীয়পার্টির আমলেপ্রথম জেলাপ্ররিষদে চেয়ারম্যানপ্র্রদান করা হয়। ১৯৮৮ সালে সিলেট জেলাপ্ররিষদেরপ্র্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক এমপি আবদুল মুকিত খান। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসারপ্রর জেলাপ্ররিষদ বাতিল করা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণেরপ্রর জেলাপ্ররিষদ ফের সচল করা হয়। জেলাপ্ররিষদে নিয়োগ দেয়া হয়প্র্রশাসক। জানা যায়, ১৯৭৬ সালের স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ জারি করা হয় এবং জেলা বোর্ডের নামকরণ করা হয় জেলাপ্ররিষদ স্থানীয় সরকার (জেলাপ্ররিষদ)। ১৯৮৮ এর ধারা ৪ (১) অনুযায়ীপ্র্রতিনিধি সদস্য, মনোনীত সদস্য, মহিলা সদস্য এবং কর্মকর্তা সদস্যদের সমন্বয়ে জেলাপ্ররিষদ গঠন করা হয়। জেলাপ্ররিষদ আইন ২০০০ এপরোক্ষ নির্বাচনপ্রদ্ধতিতে ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের ৫ জন মহিলা সদস্য সমন্বয়েপরিষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। যদিও এখনপর্যন্ত জেলাপরিষদেরপ্রূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : মন্দিরের জমি দখল নিতে পুরোহিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা

প্রভাবশালী এক আওয়ামী লীগ নেতার যোগসাজশে মন্দিরের জায়গা দখলের জন্য স্থানীয় কিছু লোক এসব ঘটনা …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open