শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১ : ১:৪৭ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

টেংরাটিলায় গ্যাসের বুদবুদ, পরিদর্শনে বাপেক্স’র ভূতত্ত্ব প্রধান

সিলেটভিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম : বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়ামের (বাপেক্স) ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রধান মিজানুর রহমান ও ডিজিএম অহিদুল ইসলাম সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার টেংরাটিলা পরিত্যক্ত গ্যাসক্ষেত্র ও গ্রামটি পরিদর্শন করেছেন।দুর্ঘটনার ১০ বছর পরও উপজেলার টেংরাটিলা পরিত্যক্ত গ্যাসফিল্ডের আশপাশের এলাকা, বাড়িঘর ও টিউবওয়েল দিয়ে বুদবুদ আকারে গ্যাস বের হচ্ছে।টেংরাটিলা গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ও গ্যাসফিল্ডের পাশের গ্রামের বিভিন্ন পুকুর, জমি, রাস্তা ও বাড়ি-ঘরের ফাটল দিয়েও বুদবুদ আকারে গ্যাস বেরোয় এখনও। এতে টেংরাটিলা গ্রামের মানুষের আতঙ্ক কাটছে না।সরেজমিন টেংরাটিলা গিয়ে দেখা যায়, রশিদ আলীর বাড়ির টিউবওয়েল দিয়ে অনবরত গ্যাস বের হচ্ছে। টিউবওয়েল দিয়ে যেমন নিচে পানি পড়ছে, তেমনি ওপর দিয়ে গ্যাস বের হচ্ছে। বের হওয়া এ গ্যাসে আগুন দিলে তা দাউদাউ করে জ্বলছে। একইভাবে গ্রামের বাবর আলীর বাড়ির উঠানের বিভিন্ন ফাটল দিয়ে বুদবুদ আকারে গ্যাস বের হচ্ছে।এ গ্রামের বাবর আলী, রোকেয়া বেগমসহ অনেকেই জানান, গ্রামের প্রায় সব বাড়িরই বিভিন্ন ফাটল দিয়ে গ্যাস বের হওয়ার কারণে গাছের পাতা ঝরে কাণ্ড শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। রাতে বসতঘরের দরজা বন্ধ করলে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। তাই বাধ্য হয়ে ঘরের জানালা খুলে ঘুমাতে হয়।টেংরাটিলা রক্ষা আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক আজিম উদ্দিন জানান, গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবারে অপরিকল্পিতভাবে বাড়ির উঠানে ও পুকুরে ছোট ছোট প্লাস্টিকের পাইপ পুঁতে রেখে রান্নার চুলায় গ্যাস ব্যবহার করছে। টেংরাটিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রাস্তা ও জমির বিভিন্ন ফাটল দিয়ে বুদবুদ আকারে গ্যাস বের হচ্ছে।দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সাইফুল ইসলাম বলেন, সচেতনতার জন্য গ্যাস ফিল্ডের এলাকায় সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে গ্যাস ব্যবহারের বিষয়ে বাপেক্স বা জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।ইউএনও আরও জানান, উপজেলার সুরমা ইউনিয়নর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনসচেতনতার জন্য এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন দু’দফা বিস্ফোরণে গ্যাসফিল্ডের উৎপাদন কূপের রিগ ভেঙে প্রচণ্ড গর্জন এবং ভয়াবহ কম্পনসহ ২০০  থেকে ৩০০ ফুট পর্যন্ত আগুন ওঠা-নামা করতে থাকে।দুই দফা বিস্ফোরণে গ্যাসফিল্ডের মাটির ওপরে ৩ বিলিয়ন কিউবিক ফিট (বিসিএফ) গ্যাস পুড়ে যাওয়া এবং ৫.৮৯ থেকে কমপক্ষে ৫২ বিসিএফ গ্যাসের রিজার্ভ ধ্বংস হওয়াসহ আশপাশের টেংরাটিলা, আজবপুর, গিরীশনগর, কৈয়াজুরি ও শান্তিপুরের মানুষের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও পরিবেশের ক্ষতি হয়।বিস্ফোরণের পর আশপাশের মানুষের সামান্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে কিছুদিন পরই নাইকো তাদের সরঞ্জামাদি নিয়ে গ্যাসক্ষেত্র থেকে চলে যায়।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

দেশটা কি চরিত্রহীনদের দখলে ? কে সে পার্লার হাসিনা ।বাপ দাদার নাম কদর আলীর নাতন্নী

গিরিধারী মন্দিরের সেবায়েতকে গ্রেপ্তারের নিন্দা গোলাপগঞ্জে শ্রী শ্রী গিরিধারী জিউ মন্দিরের সেবায়েত প্রাণগোবিন্দ দাসকে গ্রেপ্তারের …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open