বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২১, ২০২১ : ৬:২১ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

জগন্নাথপুরে এক প্রবাসীকে সিরিজ মামলা দিয়ে হয়রানি – সুবিচার চেয়ে আইনমন্ত্রীর কাছে আবেদন

hoyraniজগন্ন্থাপুর প্রতিনিধি :: জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা আফতর আলী একের পর এক দায়েরকৃত সিরিজ মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আইনমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
আইনমন্ত্রী বরাবরে দাখিলকৃত লিখিত আবেদনে তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে একই এলাকার বশর মিয়ার সাথে আপ্তর আলীর পরিবারের বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে ২০০৫ সালে বশর মিয়া আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দলবল নিয়ে জোরপূর্বকভাবে তার বাড়ির ১০ শতক জায়গা দখল করে নেন। ২০০৭ সালে বশরের আপন চাচতো ভাই জাহেদ ওই জমিতে ঘর নির্মাণ করতে উদ্যত হন। তখন আফতর আলীর লোকজন তাতে বাধা প্রদান করলে বশর পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়।  ২০০৮ সালের ১২ মাচ কেশবপুর বাজারস্থ আফতর আলীর বসতবাড়িতে রাত তিনটায় পরিবারের সবাইকে পুড়িয়ে মারার উদ্দেশ্যে আগুন দেয়া হয়। আগুনে একটি মাইক্রোবাসহ ঘর পুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে আফতর আলীর ভাইয়ের বউ মোছা. সাফিয়া বেগম বাদি হয়ে বশর মিয়াসহ ৪ জনকে আসামি করে মামলা করে। মামলা করার পর থেকেই বশর মিয়া তার লোকজন দিয়ে আফতর আলীর পরিবারের উপর একের পর এক মামলা দায়ের করতে শুরু করে। ২০০৮ সালের ২২ জুলাই বশর মিয়ার সহচর মিয়া হোসেনকে বাদি করে তাহেরপুর থানায় প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। ( মামলা নম্বর-১০৭/২০০৮) । তাহিরপুরের মামলা আর জগন্নাথপুরের সাক্ষী হওয়ায় উক্ত মামলা ২০১৫ সালে সুনামগঞ্জ আদালত খারিজ করে দেন। ২০০৮ সালের ৬ আগস্ট বশরের আপন মামা আরব আলীকে বাদি করে আরেকটি প্রতারণার মামলা করেন (মামলা নম্বর-জি আর ১৬৮/০৮)। যা বর্তমানে সুনামগঞ্জ জজ আদালতে বিচারাধীন আছে। ওই বছরই বশরের কাজের মেয়ে ময়মসিংহের বাসিন্দা শিল্পা বেগমকে বাদি করে আরও একটি প্রতারণার মামলা করে। পরে জগন্নাথপুর থানাপুলিশ তদন্তপূর্বক সুনাগমঞ্জ আদালতে বাদির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এই তিনটি প্রতারণার মামলার সাক্ষী হচ্ছেন, কেশবপুর গ্রামের আতর মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া, পুলিশ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া, মৃত ঠাকুর ধনের ছেলে সিদ্দেক কারি, জালু মিয়ার ছেলে আনকার মিয়া ও জয়নাল আবেদীনের ছেলে জামিল আহমেদ। শুধু আফতর আলীর পরিবার নয়, কেশবপুর গ্রামের মৃত হরমুজ উল্লাহ ছেলে মো. সাজুর মিয়া, কুদ্দুস মিয়ার ভাই তাহিদ মিয়া, আব্দুল ছোবানের ছেলে জাবেদসহ আরও অনেককে বশর মিয়া ও তার লোকেরা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। আর ওই চার জনই সকল মামলার সাক্ষী।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেই রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

আত্মহত্যা’ করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির সাবেক …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open