শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২০ : ৮:৩১ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

একুশ চিরকালের চিরদিনের

imagesস্টাফ রিপোর্টার :: একুশ চিরকালের, চিরদিনের। একুশ বাঙালির কণ্ঠস্বর, জাগ্রত জনতা। একুশই নিয়ে এসেছে আমাদের প্রাণের স্বাধীনতা। বায়ান্নের এ মাসে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার,শফিউর বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ভাষার মান রক্ষা করেছিলেন। তারা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন মাতৃভাষার প্রতি বাঙালির ভালোবাসা কতটা নিবিড়। তাই আজও আমরা বর্ণমালায় পাই লাল পলাশের কথা। সেই কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম দিনের স্মরণে বাংলা ভাষাভাষির কবিরা লিখলেন অমর পংক্তিমালা। বুকের দুর্মর প্রেরণা আর উদ্দীপনা থেকে বেরিয়ে এসে ছড়িয়ে পড়লো কণ্ঠ থেকে কণ্ঠে।
একুশ নিয়ে প্রথম কবিতা লিখলেন মাহবুব উল আলম চৌধুরী। তিনি উচ্চারণ করলেন-এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে/ রমনার ঊর্ধŸমুখী কৃষ্ণচূড়ার তলায়/ যেখানে আগুনের ফুলকির মতো/এখানে ওখানে জ্বলছে অসংখ্য রক্তের ছাপ/ সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি। কবি শামসুর রাহমান লিখলেন নক্ষত্রপুঞ্জের মতো জ্বলজ্বলে পতাকা উড়িয়ে আছো আমার সত্তায়। মমতা নামের প¬ুত প্রদেশের শ্যামলিমা তোমাকে নিবিড় ঘিরে রয় সর্বদাই। কালো রাত পোহানোর পরের প্রহরে শিউলি শৈশবে‘পাখি সব করে রব’ বলে মদনমোহন তর্কালঙ্কার কী ধীরোদাত্ত স্বরে প্রত্যহ দিতেন ডাক। তুমি আর আমি,অবিচ্ছিন্ন, পরস্পর মমতায় লীন।
আলাউদ্দিন আল আজাদ লিখলেন-স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো চারকোটি পরিবার/খাড়া রয়েছি তো। যে ভিৎ কখনো কোন রাজন্য পারেনি ভাঙতে। নির্মলেন্দু গুণ লিখলেন –একুশের ভোরের কবিতাগুলো তুমিহীন মাইক্রোফোন/এক একবার গর্জে উঠেছিল;। আবদুল গাফপার চৌধুরী লিখলেন ঐতিহাসিক গান-আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্র“য়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি/ ছেলেহারা শত মায়ের অশ্র“গড়া এ ফেব্র“য়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেহরিতে মুরগি-আলুর ঝোল

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সেহরিতে সবরকমের খাবার মুখে রোচে না। সেহরিতে প্রয়োজন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর খাবার। …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open