সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০ : ৯:১১ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি

563100_447178572018204_1410076425_n একটি ভাষা মানে-একটি জাতি, জাতির ইতিহাস ঐতিহ্য। বাঙালি জাতির সম্মান ও মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য ১৯৫২ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে এ দেশের ছাত্র, শিক্ষক,কৃষক, শ্রমিকসহ আপামর জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে । মানুষ আপন ইচ্ছায় নেমে আসে রাস্তায়। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয় রাজপথে। পূর্ববাংলায় গঠিত হয় তমুদ্দিন মজলিস নামক সংগঠন। রাজধানী ঢাকাসহ প্রতিটি জেলায়,এমনকি গ্রামে গ্রামে জনসাধারন এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
সভা-সমিতি ¯ে¬াগানে ¯ে¬াগানে মুখরিত হয় সারা দেশ। ধীরে ধীরে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্র হতে থাকে। জনতার আন্দোলনকে থামানোর জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেরা আরো বিক্ষুদ্ব হয়ে ওঠে। শুরু হয় আন্দোলনে লাঠিচার্জ,কাদানে গ্যাস,মিছিলে গুলি। ঝরে যায় সালাম,বরকত,রফিক,জব্বার,শফিউরসহ অসংখ্য তাজা প্রাণ। তাদের রক্তে রচিত এক নতুন মহাকাব্য,বিজয়ের নতুন ইতিহাস। গুলিবর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে হরতাল পালিত হয়। চলতে থাকে প্রবল আন্দোলন। রক্ত আর প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। বিশ্বে এক অনন্য নজির স্থাপন করে এ জাতি। রচিত হয় ভাষার গান,ছড়া,কবিতা। ভাষা আন্দোলন নিয়ে কবি মাহবুবুল আলম ঘন্টাখানেকের মধ্যে লিখেন ‘কাদতে আসিনি,ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ নামে একটি বিখ্যাত কবিতা। তাছাড়া একুশ নিয়ে রচিত হয় গল্প,উপন্যাস,কাব্য। একুশের হাত ধরে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যায়।একুশের বীজমন্ত্রে বাঙালি জাতি মহান মুক্তিযুদ্বে ঝাপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর স্বাধীনতার যে লাল সূর্য আমরা পাই তা বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের হাত ধরেই।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

নড়াইলে দুই সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত, বিচার দাবি

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে চিকিৎসকদের হাতে দুই সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় নড়াইল প্রেসক্লাব, লোহাগড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open