বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০ : ৫:২৭ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসছেন জয়

 22ডেস্ক রিপোর্ট :: আগামী ২৮ মার্চ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। আর এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করেই চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে কে কোন পদ পেতে যাচ্ছেন-এ নিয়ে চলছে হরেকরকম কথা-বার্তা। তবে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হচ্ছে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে। দলের তৃণমূল নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয়ভাবেও জয়কে নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা কৌতূহল। আর তা হলো জয় কি রাজনীতিতে আসছেন? আবার কেউ বলছেন তিনি তো রাজনীতিতে এসেছেনই। কিন্তু কাউন্সিলে জয়কে দলের কোনো পদে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে কিনা? এমন নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে এখন আনাচে-কানাচে।

এ মুহূর্তে সজীব ওয়াজেদ জয় সরাসরি আওয়ামী লীগের কোনো পদে না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা। তাই নেতা-কর্মীদের অনেকেই মনে করছেন জয় কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসলে দলের জন্য ভালো হবে। দলের পালকে যোগ হবে একজন সৎ ও আদর্শবান রাজনীতিবিদের। তাদের আশা-জয় অন্তত যুগ্মসাধারণ সম্পাদকের পদ পাবেন। তাদের মতে, রাজনীতির বাইরে থেকেও নিজেকে আলাদা পরিচয়ে দেশের মানুষের কাছে ইতোমধ্যে জয় জনপ্রিয়তার প্রমাণ রেখেছেন। তরুণ এ প্রযুক্তিবিদ অতিদৃঢ়তার সঙ্গেই এ কাজটিই করেছেন। তারা বলছেন, জয় রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে। তার নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি। তার পারিবারের সুদীর্ঘ রাজনীতি এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে। কিন্তু পরিবারতন্ত্রের বাইরে থেকেও রাজনীতিতে আসার যোগ্যতা জয়ের আছে। এটা ইতোমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেন দলের নেতা-কর্মীরা। কেবল দেশে নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও তরুণ প্রযুক্তিবিদ হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে। দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

এ অবস্থায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জয়কে প্রয়োজন বলে মনে করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। এরআগে জয় রাজনীতিতে খুব একটা সক্রিয় না থাকলেও সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, দলের তরুণ এমপি ও অপেক্ষাকৃত নবীণ মন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে রাজনীতি নিয়ে নিজের মনোভাবের কথা জানিয়েছেন। এ সময়ে দলের নেতা-কর্মীদের সাথে তিনি কাজ করতে চান বলে জানান। দলের প্রয়োজনে নিজের এ ইচ্ছের কথা খোলামেলাভাবেই জানান তিনি। দলের নেতারাও জয়ের এ ইচ্ছাকে স্বাগত জানান।

বৈঠকে জয় বলেন, আগামী নির্বাচনের কথা মাথায় নিয়ে সে অনুযায়ী প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করতে হবে। আর জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করাই আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, জয়ের এ আগ্রহ থেকেই আওয়ামীলীগের হাইকমা-ের একটি গ্রুপ তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অভিষেকের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় করতে চান। সে অনুযায়ী কাউন্সিলকে সামনে রেখে কাজও করছেন। সুত্র :- আমার সংবাদ

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open