মঙ্গলবার, নভেম্বর ২০, ২০১৮ : ১২:৪৩ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সিলেটে ‘সেক্স আশরাফুলে’র রমরমা ভোগ-বানিজ্য

Sex-Asraful-400x266ডেস্ক রিপোর্ট : আশরাফুল ইসলাম । নামের আগে বড়অক্ষরে মাওলানা খেতাব। কিন্তু ব্যবসা করেন সেক্স বর্ধক উপকরনের। আর এ কারনে তিনি হারবাল আশরাফুল ও সেক্স আশরাফুল নামেই পরিচিত। তিনি নিজেও সেক্সপ্রিয় তাই চিকিৎসার নামে ব্যবসা করেন সেক্সবর্ধক সামগ্রীর। আশরাফুল সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিন এলাকাধীন দত্তরাইল গ্রামের মরহুম মৌলানা আব্দুর রহমানের পুত্র আশরাফুল হারবাল চিকিৎসার আড়ালে করে থাকেন যৌনতার রমরমা ব্যবসা। যৌনশক্তি বৃদ্ধির বাস্তব প্রমান দেখিয়েই তিনি গ্রাহকদের আকর্ষন করেন তার ব্যবসা প্রতিষ্টানে। আর এর বাস্তব প্রমান দেকাতে উপকরন হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন সুদর্শন নারীদের। একেক সময় একেক সুদর্শনাকে বউ অথবা কর্মচারী পরিচয়ে রাখেন বাসায় ও প্রতিষ্টানে। যৌনতায় অক্ষম ও দূর্বলদের চিকিৎসার মাদ্যমে সেক্সে বৃদ্ধির প্রমান দেখাতে সুদর্শনা ওই তরুরনীকে ব্যবহার করেন তিনি। নিজেও ব্যবহার করেন যৌনদাসী হিসেবে। সেক্স ও বিয়ে পাগল আশরাফুল হারবাল চিকিৎসার নামে অবৈধ ও অনৈতিক ব্যবসা ব্যবসা করে তিনি কামাই করেছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। পাচার করে দেশে-বিদেশে মালিক হয়েছেন বিলাসবহুল বহু বাড়ি ও গাড়ির মালিক। হয়েছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসীও। অবৈধ ব্যবসা ও নারীভোগ নির্বিঘেœ চালাতে গিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের রেখেছেন ইংল্যান্ডে। দেশে তার এ সেক্স বর্র্ধক অনৈতিক ব্যবসা প্রতিষ্টানের নাম ‘আশরাফ জেনুইন টাচ্ অব ন্যাচার’। সিলেট নগরীর মেন্দিবাগের গার্ডেন টাওয়ারের নিচতলার ১৯৪ থেকে ১৫২ নং দোকানে তার এ সেক্সবর্ধক প্রতিস্টান। তিনি এ প্রতিষ্টানের প্রোপাইটর। হারবাল চিকিৎসার নামেই মূলত আপত্তিকর ব্যবসা কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অভিযোগ পাওয়া গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে টাকার বিনিময়ে হম্বী-তম্বী মেয়েদের এনে কর্মচারী বা নববধু পরিচয়ে তাকে ব্যবহার করে হারবাল চিকিৎসা নামে সেক্সবর্ধক ব্যবসা করে থাকেন তিন।
অভিযোগ পাওয়া গেছে,আশরাফুল বর্তমানে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ও সেখানে তার স্ত্রী সন্তান থাকলেও বারবার ফিরে আসেন দেশে ব্যবসার ও নারীভোগের টানে। ইসলামে টাইমেড (মুতা’) বিয়ে হারাম হলেও মাওলানা নামধারী আশরাফুল কৌশলে নিজের জন্য তা হালাল করিয়ে নেন। দেশে আসলেই অনৈতিক ব্যবসা ও ভোগের প্রয়োজনে জরুরী হয়ে পড়ে তার নতুন একটা বিয়ের। এভাবে বহু মুত’া (টাইমেড) বিয়ে করেছেন নারীভোগী ও অনৈতিক ব্যবসায়ী আশরাফুল। স্থানীয়রা জানান,আশরাফুল দেশে আসলে সিলেট নগরীর উপশহরস্থ ¯প্রীং টাওয়ারের ৭ম তলার ৪৭৪ নং ভাড়া ফ্যাটে উঠেন। প্রতিবারই দেশে আসলে টাওয়ারের লোকজনের পরিচয় ঘটে তার নতুন একটা বউয়ের সাথে। মানে দেশে ফিরে প্রতিবারই কোন না কোন নারীকে নতুন বউ সাজিয়ে ফ্যাটে তুলেন তিনি। চলে গেলে সেই বউয়ের আর হাদিস পায় না কেউই।
মাওলানা খেতাবধারী আশরাফুলের অনৈতিক এ সেক্সবর্ধক ব্যবসার গোপন তথ্য প্রকাশ পায় তার প্রতিষ্টানের এক নারী কর্মচারীর মাধ্যমে। পপি (ছদ্মনাম) নামের এক সুদর্শনা তরুণীকে তিনি নিয়োগ দিয়েছিলেন তার প্রতিষ্টানের কর্মচারী পদে । পরে তিনি তার অবৈধ ব্যবসায় তাকে ব্যবহার ও নিজে বিয়ের প্রলোাভনে ভোগ করার চেষ্টা করতে থাকেন। যৌনবর্ধক চিকিৎসার বাস্তব প্রমান হিসেবে গ্রাহকদের ভোগে দেয়ার বার বার চাপ দেন তাকে। এ অপকর্মে রাজি না হওয়ায় তাকে বসে আনতে তার স্পর্শকাতর অঙ্গে তিনি অনেকবার হাত দিয়েছেন। তার এহেন যৌনপীড়নে অতিষ্ট হয়ে ওই তরুনী প্রতিষ্টান ছেড়ে পালিয়ে তার খপ্পর থেকে শারিীকভাবে রক্ষা পেলেও নানাভাবে তাকে হুমকি ধমকি দিতে থাকেন তিনি। বাধ্য হয়ে ওই তরুণী গতবছরের ১০জুন এসএমপি কমিশনারের কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে অভিযোগ আমলে নেয়নি পুলিশ। ফলে আশরাফুল যখনই দেশে ফিরেন তখনই তাকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকেন। সেক্সব্যবসায়ী আশরাফুলের ওই প্রতিষ্টানে বর্তমানে আরো এক তম্বী তরুনীকে যোগাড় করেছেন। এটাকে কখনো প্রতিষ্টানের কর্মচারী আবারো কখনো নববধু পরিচয় দিয়ে থাকেন তিনি। এবাবে হারবাল চিকিৎসার আড়ালে চলছে আশরাফুলের অনৈতিক ভোগ ও সেক্সবর্র্ধক সামগ্রীর ব্যবসা। আর এ ব্যবসার মাধ্যমে তিনি সমাজকে ঠেলে দিচ্ছেন অন্ধকার জগতের দিকে। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষ আশরাফুলের এ অনৈতক ব্যবসা ও ভোগ-বিলাস বন্ধে আশু ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।
এব্যপারে আশরাফুরের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন বলেন, প্রশাসন তার হাতের মুঠোয় রয়েছে, ‘সাংবাদিক টাংবাদিক তার কিছুই করতে পারবে না’ বলে দম্ভোক্তি প্রকাশ করেন তিনি।  সুত্র সুরমা টাইমস

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেই রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

আত্মহত্যা’ করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির সাবেক …

৩ মন্তব্য

  1. Ashraful Islam
    4 February at 15:28 ·
    সংবাদ সম্মেলন
    সিলেট প্রেসক্লাব
    তারিখ : ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

    শ্রদ্ধেয় সাংবাদিকবৃন্দ
    আস্সালামু আলাইকুম। আমি মাওলানা মো. আশরাফুল ইসলাম আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। আমার পৈত্রিক নিবাস গোলাপগঞ্জ উপজেলায় হলেও বর্তমানে আমি নগরীর সুবিদবাজারস্থ এক্সেল টাওয়ারে বসবাস করি। আমি একজন যুক্তরাজ্য প্রবাসী। পাশাপাশি মেন্দিবাগ গার্ডেন টাওয়ারের নিচতলায় আশরাফ জেনুইন চার্ট অব নেচার নামে আমার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমি গোলাপগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র প্রতিষ্টাতা সদস্য ও বর্তমান কমিটির ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এ রহমান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সুস্বাস্থ্য রক্ষা নাগরিক আন্দোলন বৃহত্তর সিলেট এর প্রতিষ্ঠাতা এবং এক্সেল টাওয়ার ও ইস্টার্ণ প্রাইভেট লিমিটেড এর একজন পরিচালকও আমি। একজন ব্যবসায়ী হিসেবেই সর্বমহলে পরিচিত। আমার প্রতিষ্ঠানগুলোতে অন্তত সহস্্রাধিক মানুষ কর্মরত আছেন। সাধ্যমতো এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়াই। কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য অতিসম্প্রতি আমার প্রতিষ্ঠানের চাকুরিচ্যুত কয়েকজন কর্মচারী আমার সম্মানহানি ঘটাতে আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করানো হচ্ছে। এসব দেখে আমি হতবাক ও বিস্মিত। শুধু তাই নয় এরা আমার নিকট চাঁদা দাবি করে বলেছে চাঁদা না দিলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। এমতাবস্থায় আপনাদের সহযোগিতা পেতে আজ এখানে এসে হাজির হয়েছি।
    প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ
    গার্ডেন টাওয়ারস্থ আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জেনুইন চার্ট অব নেচারে সোবহানীঘাট লতিফিয়া আ/এ এলাকার সিরাজুল ইসলামের মেয়ে জহুরা ইসলাম নাজনিন কর্মরত ছিল। তাকে নিয়োগ দেয়ার পর তারই কথায় তার বাই কামাল হোসেন মিঠু ও জাকির হোসেন দীপুকেও নিয়োগ দেই। কিন্তু তারা তিন ভাইবোন মিলে আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বুঝতে পেরে এবং তাদের আচার আচরণ চলাফেরা সন্দেহজনক হলে আমি তাদেরকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেই। তাদের দ্বারা আমার প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিসাধিত হচ্ছে দেখে গত বছরের ৭ জুন প্রথমে নাজনিনকে বেতন ভাতা পরিশোধ করে অব্যাহতি দেই। পরবর্তীতে তার দুই ভাইকেও আমি অব্যাহতি দেই। কিন্তু চাকুরিচ্যুত হওয়ার পরই নাজনিন আমার প্রতি ক্ষেপে যায়। সে আমার নামে বিভিন্ন দুর্নাম রটাতে থাকে। সমাজে আমাকে এবং আমার প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালায় তারা তিনজন। শুধু তাই নয় বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে আমাকে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে বলা হয় ‘তুই আমাদেরকে চিনিস না’ মেরে হাত পা ভেঙ্গে সুরমা নদীতে ফেলে দিবো। নাজনীনের ভাই দীপু নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে বলে তুই আমাদেরকে চাকুরিচ্যুত করেছিস আমি তোকে দেখে নিবো। তোর বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করবো। বিভিন্ন অনলাইনের নাম দিয়ে সে আমাকে ফোন করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। নাজনীন আমার নামে মিথ্যা অভিযোগে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটি তদন্ত করেন সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল হোসেন সরকার। তিনি তার তদন্তে উল্লেখ করেন বাদীর দায়েরকৃত অভিযোগের সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণাদি বা উপাদান পাওয়া যায় নাই। মূলত দরখাস্তকারিনী ও তার ভাইদের চাকুরিচ্যুত করায় তিনি এ অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ
    নাজনীনের ভাই জাকির হোসেন দীপু গত ২৭ জানুয়ারি রাত দেড়টার দিকে ০১৬২০১৯৯৮২১ নং থেকে আমার ব্যবরত মোবাইল নাম্বারে ফোন করে বলে সাহস থাকলে আগামীকাল অফিসে থাকিস আমি আসবো। দীপু তার কথামতো পরদিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে আমার অফিসে এসে আমাকে বলে টাকা দিলে সব মিটমাট হয়ে যাবে। আমি তাতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা গালিগালাজ করে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় আমি গত ৩১ জানুয়ারি কোতোয়ালি মডেল থানায় জহুরা ইসলাম নাজনীন ও তার দুই ভাই কামাল হোসেন মিঠু এবং জাকির হোসেন দীপুকে আসামি করে একটি সাধারণ ডায়েরি করি। অভিযোগটি বর্তমানে পুলিশ তদন্ত করছে। জাকির হোসেন দীপুর বিরুদ্ধে এসএমপির বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সে নিজেকে মিডিয়ার লোক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করে আসছে। এমনি এক ভুক্তভোগী বালুচর এলাকার আমিন মিয়ার স্ত্রী জাহানারা বেগম ব্ল্যাকমেইলিং এবং চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে দীপুর বিরুদ্ধে এসএমপির পুলিশ কমিশনার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া দীপুর স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এই দীপুই তার বোন ও অপর ভাইকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
    জাতির বিবেক সাংবাদিকবৃন্দ
    আমি একজন প্রবাসী ও ব্যবসায়ী। শুধুমাত্র তিনজন কর্মচারীকে চাকুরিচ্যুত করার কারনেই আজ আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি। আপনারা সমাজের দর্পন। আপনাদের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে সমাজের অন্যায় অত্যাচারের চিত্র ফুটে উঠে। আমি আপনাদের মাধ্যমে উক্ত জহুরা ইসলাম নাজনীন ও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। পরিশেষে আপনাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে আমার দীর্ঘ বক্তব্য শোনায় আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

    মো. আশরাফুল ইসলাম
    লন্ডন প্রবাসী

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open