শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২০ : ৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৫ শিক্ষার্থী স্থায়ীভাবে বহিস্কার (আপডেট)

sd-1স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসনের ৪র্থ বর্ষের ২য় সেমিস্টারের ছাত্র কাজী হাবিবুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত ১৫ জন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় কনফারেন্স রুমে এক সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক তারেক উদ্দিন তাজ বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বহিস্কৃতরা হচ্ছেন, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা মো. সাগর হোসাইন, আলাউর খান ইমরান, মইনুল ইসলাম মইনুল, সুজন মিয়া, আশিক উদ্দিন আশিক, কাজী কামরুল আহমেদ, নয়ন রায়, বিশ্বজিৎ দে বাপন ও সায়েদুর রহমান সুমন। এছাড়া এলএলবি বিভাগের শিক্ষার্থী ইলিয়াস আহমেদ পুনম, আবদুল আউয়াল সোহান ও হারুন রশিদ হারুন। ইংরেজি বিভাগের আনিসুর রহমান আনিস ও বশিরউদ্দিন আহমেদ তুহিন এবং ইসিই বিভাগের সাইদুর রহমান সায়মন।
ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, এ ঘটনায় ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ও প্রক্টরিয়াল বডির রির্পোট অনুযায়ী সিন্ডিকেট সভায় এ ১৫জন শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগের স্থায়ী নিষেদ্ধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক তারেক উদ্দিন তাজ জানান, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী , বহিষ্কৃতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লগো ব্যবহার করতে পারবে না। রাজনৈতিক অথবা সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে পরিচয় ব্যবহার করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সুশান্ত কুমার দাসের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ, শামসি বেগম, রাজিব আহমেদ, প্রফেসর ড. মো: ইউনুস, বিজিত চৌধুরী, প্রফেসর মোহাম্মদ রুহুল আমীন ও রেজিস্ট্রার নসরত আফজা চৌধুরী।
প্রসঙ্গত, ১৯ জানুয়ারি গ্রুপ পরিবর্তন করায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় গুরুতর আহত হন ছাত্রলীগ কর্মী কাজী হাবিবুর রহমান হাবিবের ওপর হামলা করে নিজ দলের নেতাকর্মীরা। প্রথমে হাবিবকে তার সহপাঠিরা সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখান থেকে তাকে সিলেটের বেসরকারি হাসপাতাল মাউন্ড অ্যাডেরায় ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার মৃত্যু হয় হাবিবের। নিহত হাবিব কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের রানীঘাট গ্রামের কাজি সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ও সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। সে সিলেটের কানিশাইল এলাকায় একটি মেসে থেকে লেখাপড়া করতেন।
এঘটনায় ২০ জানুয়ারি ছাত্রলীগ নেতা ও ইউনির্ভাসিটির বিবিএ বিভাগের শিক্ষার্থী হোসাইন আহমদ সাগরকে প্রধান আসামি করে ১১জনের বিরুদ্ধে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী কাজী হাবিরের বড়ভাই কাজী জাকির হোসেন বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহার নামীয় সব আসামিসহ ১৫জস শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসি টিভির ফুটেজেও হত্যাকান্ডে

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেই রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

আত্মহত্যা’ করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির সাবেক …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open