শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২০ : ৭:১৪ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

“ঠাকুরঘরে কে রে আমি কলা খাই না” নিজেই জানান দিলেন আমি কুলাঙ্গার

kulangarস্টাফ রিপোটার: “ঠাকুরঘরে কেরে আমি কলা খাই না” এই উক্তির স্বার্থকতা প্রমাণ করলেন সাংবাদিক কুলেন্দ শেখর দাস। জগন্নাথপুরে লালের লালসার শিকার কুলাঙ্গার বাবু’ নিজেই নিজের মুখোশ উম্মোচন করলেন নিজের লেখা প্রতিবেদনের মাধ্যমে। সম্প্রতি সুনামগঞ্জের একটি দৈনিকে তার এ লেখার মাধ্যমে জণগনকে বুঝিয়ে দিলেন কুলাঙ্গার আসলে কে? লাল সর্ম্পকে জাতীয় সাপ্তাহিক অভিযোগ ও হাওরাঞ্চলের কথা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমস্ত তথ্য প্রমানাদি থাকার পরও এ ধরনের উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদকে পাঠকরা গ্রহন করেনি বলে মত দিয়েছেন ঐ পত্রিকাটির নিয়মিত পাঠকরা। যার ফলে ঐ পাঠকরাই চিনতে পেরেছেন কুলাঙ্গার বাবু কে? জনৈক ঐ বাবু এবং তার সকল অপকর্মের সঙ্গী সাথীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের লিখিত কপি ও ভিডিও ফুটেজ হাওরাঞ্চল পত্রিকা পরিবারের কাছে রয়েছে। যা পাঠক চাইলেই প্রমাণস্বরূপ নিতে পারবেন। আমরা গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য প্রমাণ ছাড়া কোন কথা বলতে বা লিখতে পারি না। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই হাওরাঞ্চল পরিবার গত ৩১ জানুয়ারী ২০১৬ জগন্নাথপুরে লালের লালসায় অতিষ্ট প্রশাসনসহ নিরীহ জনতা শিরোনামে প্রকাশ করা হয়েছিল। যার ফলে আরো অন্যান্য ভুক্তভোগীরা মোবাইল ফোন ও লিখিতভাবে তাদের অভিযোগ জানিয়েছেন।
স্থানীয় একাধিক সংবাদকর্মীরা জানান, কিছু কিছু অখ্যাত কুখ্যাত সংবাদমাধ্য ও সংবাদকর্মীদের দ্বারা আমাদের ভাবমুর্তি জনগণের কাছে দিন দিন ক্ষুন্ন হচ্ছে। ঐসব সাংবাদিকদের কারণে জণগনের আস্থা বিশ্বাস সাংবাদিকদের প্রতি কমে যাচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তারা।
তাদের লালসার শিকার ভুক্তভোগীদের সুত্রে জানা যায়, এই সব সাংবাদিকরা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে সহজ সরল গ্রাম্য মানুষের নানান সমস্যাকে পুজি করে মানববন্ধন করার কথা বলে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। এ ছাড়াও মানুষের জমিজমা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে সেটেলমেন্ট অফিসে অসাধু কর্মকর্তাদের আতাত করে ভুক্তভোগীদের হয়রানী করে যাচ্ছেন। তারা বিভিন্ন সংঘর্ষের নিউজের উৎস থেকে পক্ষ-বিপক্ষের কাছ থেকে থানায় মামলা রেকর্ড বানিজ্যও করে যাচ্ছেন অবাধে। এরপর শুরু হয় সরকারী হাসপাতালে সার্টিফিকেট বানিজ্য। তাদের এহেন হয়রানীতে দিন দিন অতিষ্ট হয়ে উঠছে সাধারন জনতা। এসব নামধারী সাংবাদিককের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো বদনাম করছে গোটা সাংবাদিক সমাজকে বলেও জানান ভুক্তভোগীরা।
প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী সুত্রে জানা যায়, বিভিন্ন দপ্তরে হানা দিয়ে খুজঁতে থাকেন ত্রুুটি বিচ্যুতি। কোথাও কোন দুর্বলতা পেলে প্রথমে তাদের উৎকুচের প্রস্তাব দেন। যে প্রস্তাবে রাজি না হয় তার বিরুদ্ধে তথ্য উপাত্ত ছাড়াই প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে হয়রানী করা হয় এবং সুনাম নষ্ট করে থাকেন।
দক্ষিন সুনামগঞ্জের ইয়াকুবকের কাছ থেকে ৩হাজার টাকা নিয়ে নাম সর্বস্ব দৈনিক সংবাদ প্রতিক্ষনের উপজেলা প্রতিনিধি দেয়ার নামে। পরে এই পত্রিকার কার্ড দেয়া হলেও পত্রিকার দেখা মিলেনি। এ ছাড়াও জেলার ছাতক জগন্নাথপুর , দিরাই , তাহিরপুর, দোয়ারাবাজার, জামালগঞ্জ, শাল্লা, বিশ্বম্ভরপুরসহ বিভিন্ন উপজেলা প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রতিনিধি করার নাম করে হাতিয়ে নেয় বিভিন্ন অংকের টাকা।
জগন্নাথপুর উপজেলার প্রাক্তন পৌর চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ হিরন মিয়ার ছেলে হাসিনুর রশিদকে বাংলাদেশ সময় পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধির সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র দেয়ার নাম করে ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন। দীর্ঘ ৬ মাস ঘুরিয়ে চাপের মুখে ও বেইজ্জতী হয়ে উক্ত টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। দিরাই উপজেলার প্রশান্ত কুমারকে দৈনিক সংবাদ প্রতিক্ষনের উপজেলা প্রতিনিধি (সাংবাদিক) হিসেবে নিয়োগের নামে ৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং তাহাকে কোন কার্ড না দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। জাতীয় ঐতিহ্যবাহী পত্রিকার প্রতিনিধিকে একটি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় নিয়োগ দেয়ার শর্তে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে। তার ছোটভাই টাকা উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলে তিনি সাংবাদিকতার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে টাকা দেয়া থেকে বিরত রাখেন এবং আত্মসাৎ করেন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা জানান, প্রোগ্রাম কাভারেজের নামে তাদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা পয়সা, টিআর কাবিখা বানিজ্য করে থাকেন। এক্ষেত্রে নেতাকর্মীদের ছবি সম্বলিত নিউজ ও ছবি ছাড়া নিউজের ভিন্ন ভিন্ন রেট রয়েছে তার। জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা জানান, ৩ ফেব্রুয়ারী বুধবার সুনামগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত “সাংবাদিকরা জাতির দর্পণ সুনামগঞ্জের কিছু অপসাংকাদিকরা এই মহান পেশাকে কলুষিত করছেন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পাদকীয়, নাকি সংবাদ কিংবা ক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিমত পরিস্কার বুঝা যায়নি। তারা অভিমত প্রকাশ করেন আজকের ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার যুগে সংবাদ পরিবেশন হবে গণমানুষের পক্ষে উক্ত সংবাদে ব্যক্তির আক্রোশই প্রতিফলিত হয়েছে। যাতে পাঠকের বা জণগনের কোন আশা আখাংকার প্রতিফলন দেখা যায়নি।  এ ধরনের সংবাদ ছাপানোর ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত সুনামধন্য পত্রিকার সম্পাদককে আরো পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের পক্ষে মতামত দেন।  এ ব্যাপারে হাওরাঞ্চল কথা পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক মাহতাব উদ্দিন তালুকদার বলেন, সুনামগঞ্জ প্রতিদিন জেলায় বহুল প্রচলিত একটি দৈনিক এবং সাহসী প্রতিবেদন প্রকাশের একাধিক উদাহরণ তৈরী করেছে ইতিমধ্যে। কিন্তু উল্লেখিত প্রতিবেদনটি ঐ পত্রিকাটির সুনামক্ষুন্ন করেছে। এ ধরনের সংবাদ পরিবেশনের আগে সংবাদটির সত্যতা ও বস্তনিষ্টতা যাচাই করার পরামর্শ রইল। পাশাপাশি উপদেষ্টা সম্পাদকের জ্ঞাতার্থে তিনি বলেন, এই প্রতিনিধি স্বনামধন্য উপদেষ্টা সম্পাদক কামরুজ্জামান চৌধুরী সাফিকে মামা পরিচয় দিয়ে সাধারন মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিগত কয়েক বছরে কয়েক লাখ টাকা আয় করেছেন। অথচ এ সর্ম্পকে ঐ তিনি আদৌ অবহিত আছে কিনা আমার সন্দেহ রয়েছে। এ ব্যাপারে তাকে আরো সজাগ হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
তার ঘনিষ্ট সহযোগিদের সুত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি শহরের অভিজাত এলাকায় নামে-বেনামে কয়েকটি বসতভিটার মালিক হয়েছেন। যিনি কিছুদিন আগেও তৎকালীণ হোটেল নাহারে অবস্থান করে সাংবাদিকতার জন্য বিভিন্ন লোকের কাছে ধরণা দিয়েছিলেন। যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নারীর সাথে আপত্তিকর ছবিসম্বলিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। আলোচিত ওয়ান ইলিভেনের সময় জনপ্রতিনিধিদের ব্ল্যাক মেইলিং করে হাতিয়ে নিয়েছিলেন লাখ লাখ টাকা। কয়েকমাস পূর্বেও পৌর বিপনীস্থ নিজ কার্যালয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার দায়ে স্ত্রী’র শাড়ীর আচঁল দিয়ে টেনে হেচঁড়ে দু’তলা থেকে নামানোর দৃশ্য উপভোগ করেছিল আশ-পাশের মানুষ। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য নারী কেলেংকারীসহ শত শত প্রতারনার অভিযোগ রয়েছে খোদ তার স্ত্রী সন্তানের। দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির নাম ভাঙ্গিয়ে অবাধে অবৈধ অর্থ বানিজ্য করে চলছেন।  এ ব্যাপারে দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন জানান, কুলেন্দু শেখর দাস প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে কোন ধরনের অবৈধ সুযোগ সুবিধা না পেয়ে তিনি ঐ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মৌখিক অপপ্রচার চালিয়ে মন্ত্রীর ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার চেস্টায় লিপ্ত রয়েছেন এবং  তিনি নিজেকে ঐ প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রীর ¯্রষ্টা বলেও জাহির করছেন। সেই অসাংবাদিকই সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে অবাধে সাধারন মানুষের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন এব্যপারে জনগন ও গনমাধ্যম কর্মীদের সতর্ক থ্কতেও বলেন তিনি।
নাম প্রকাশ নাকরার শর্তে কয়েকজন বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা বলেন, এজিওর কতিপয় কর্মকর্তা সঙ্গে রয়েছে তার দহরম মহরম সর্ম্পক। এসব বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা নাম মাত্র প্রতিবেদনের ইংরেজী সাব টাইটেল ব্যবহার করে দাতা সংস্থার কাছ থেকে উন্নয়নের জন্য হাতিয়ে নিচ্ছে লভ্যাংশ। যা সরকার ও জনগণের সঙ্গে প্রতারনার শামিল।
এ ছাড়াও দক্ষিন সুনামগঞ্জের টাইলা গ্রামের জসিম উদ্দিন জানান, শিক্ষিকা সন্ধা রানী হত্যাকান্ডের মুল হোতাকে পুলিশি চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ার নাম করে পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে হাতিয়ে নিয়েছিলেন লক্ষাধিক টাকা। সম্প্রতি পুলিশ নিয়োগে নিয়োগ বানিজ্যের খবর তার ঘনিষ্ট সহযোগির মাধ্যমে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা জানতে পেরে তার মুখোশ উম্মোচন করে দিলে পুলিশ নিয়োগ বানিজ্যে ভাটা পড়ে। সাংবাদিকতার আসল উদ্দেশ্য ভুলে স্বপ্রনোদিত হয়ে বিভিন্ন গ্রামেগঞ্জে অবাধে মানববন্ধন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকার জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন নাটক মঞ্চস্থ করে তাদের কাছ থেকে আদায় করছেন বিভিন্ন অংকে অর্থ।
ভিন্ন গোয়েন্ধা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত সুত্রে জানা যায়, তিনি সেটেলমেন্ট অফিসে অফিসারদের বিরুদ্ধে কোন রকম অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ছাড়াই খবর প্রকাশ করার ভয়ভীতি দেখিয়ে মাঠ পর্চা বানিজ্য চালিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শহরের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত পত্রিকার স্টাফ রিপোটারের পদবী অপব্যবহার করে পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশকের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করছেন।  যে সাপ্তাহিক পত্রিকাটির সম্পাদক প্রকাশক বিগত ৭ বছর ধরে জনকল্যাণে বস্তুনিষ্ট ও নির্ভীক সংবাদ প্রকাশ করে নির্যাতিত ও বঞ্চিতদের মুখপাত্র হিসাবে গণমানুষের মনে স্থান করে নিয়েছে। সেই সাথে স্থানীয় প্রশাসনেরও প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ঐ পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক তথ্য সন্ত্রাসী ও তার গডফাদারের শিকার জগন্নাথপুরবাসীর অনুরোধের প্রেক্ষিতেই হলুদ সাংবাদিক লালের মুখোশ তথ্য প্রমাণসহকারে উম্মোচন করেছে। পত্রিকায় লালের সংবাদ প্রকাশের পর জগন্নাথপুরে পত্রিকার ফটোকপিও বিক্রি ও বিতরণ করেছে ভুক্তভোগী জনতা। সেই সাহসী সম্পাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনৈক কুলাঙ্গার বাবু অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং লালের অবৈধ চাঁদাবাজী ও তথ্য সন্ত্রাসের সমর্থন দিয়েছেন। এ সাহসী সম্পাদক ও প্রকাশের পত্রিকার প্রতিটি পাতায় জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে  সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। সেই সাথে জেলা প্রশাসন কুড়িয়েছে অসহায় দরিদ্র, নির্যাতিত গণমানুষের অপরিসীম ভালবাসা। জেলা প্রশাসনের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করায় জেলা প্রশাসন কুড়িয়েছে লাখো মানুষের ভুয়সী প্রশংসা। বিগত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সংখ্যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত জাতীয় গণমাধ্যমের স্থানীয় সাংবাদিকরাও সাহসী প্রতিবেদনের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন।
সুরমা ইউনিয়নের এক অসহায় বৃদ্ধার বলেন, লালের পক্ষাবলম্বনকারী প্রতিবেদক আমার ছেলেকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার চার্জশীট থেকে অব্যাহতির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৭হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তিনি যে অভিযোগ করেছেন তার ভিডিও ফুটেজ উক্ত প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
জগন্নাথপুরের জনৈক প্রবাসিী জানান, তিনি নিজেকে লালের বিগবস হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে লন্ডনীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। জেলা শহরে একটি জাতীয় গণমাধ্যমের স্বীকৃত অফিস থাকলেও তিনি সুনামগঞ্জ পৌর মার্কেটে একটি দোকান কোঠায় গণমাধ্যমের অফিস হিসাবে পরিচয় দিয়ে সেখান থেকে অবৈধ অর্থ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া অনিবন্ধিত একাধিক মোবাইল ফোন কোম্পানীর সীম ব্যবহার করে মানুষকে প্রতারিত করছেন তিনি। বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা বিকশিত করে যাচ্ছে।
বিজিবি’র একাদিক সৌর্স সুত্র জানায়, বর্ডারহাট, সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করছেন। শহরের বেশ কয়েকটি মাদকস্পট থেকে তিনি মাসিক মাসোহারা আদায় করেন। বেশ কিছুদিন আগে সাপ্তাহিক হাওরাঞ্চলের কথা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন সংস্থা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তিনি ঐ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন পরিদর্শককে অভয় দিয়ে অবাধে মাসোহারা আদায় করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দেবজিৎ সিংহের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ঐ মাদকস্পটের মাদক বানিজ্য স্থল সিলগালা করে দেয়া হয় এবং স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষাথীরা মাদকসেবীদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পায়।
সরকারী এসসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর অভিবাবক শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি জেলা প্রশাসনের কাছেরমানুষ পরিচয় দিয়ে সরকারী বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি বানিজ্যে অপপ্রচেষ্ঠা চালিয়ে ছিলেন। শুন্যহতে এক সাংবাদিকে সহায়তায় মোহনা টিভি’র প্রতিনিধি হয়ে শহরে স্বপরিবারে বসবাস করলেও এখন তিনি নামে-বেনামে লাখ লাখ টাকার সম্পদ যা তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। শহরের কয়েকডজন সাংবাদিককে তিনি সাংবাদিকতা শিখিয়েছেন বলেও প্রচার করছেন। সাপ্তাহিক হওরাঞ্চলের কথা পত্রিকার সম্পাদক ও অন্যায়ের প্রতিবাদী অসহায় মানুষের পক্ষাবলম্বনকারী প্রতিবাদী কন্ঠের সংবাদকর্মীকে ঘায়েল করার হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। তিনি লালের পক্ষাবলম্বন করতে গিয়ে লিখেছেন সাপ্তাহিক পত্রিকাটি ডিক্লেয়ারেশন বাতিলের পর হাতে পায়ে ধরে ডিক্লেয়ারেশন রক্ষা করা হয়েছে। সত্যিকার অর্থে তিনি পত্রিকা ডিক্লেয়ারেশন আইন কানুন কিছুই জানেন না বলেই এ ধরনের মিথ্যাচার করছেন। অথচ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেতে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে দীর্ঘ ৯ মাস আইনী লড়াই করে রি-ডিক্লেয়ারেশনের আদেশ পেয়েছিলেন। মান্যবর বিচারকরা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদকের সমদূয় কাগজপত্রাদি ও আইনী বিষয়াদি বিচার বিশ্লেষন করে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করেছিলেন। যারা উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে পত্রিকাটির ডিক্লেয়ারেশন বাতিলের চেস্টা করেছিলেন তারা পরাজিত হয়েছিলেন। জনগণের দু:খ দুদর্শার কথা তুলে ধরার জন্যই পত্রিকাটি বাংলাদেশপ্রেস কাউন্সিলের সম্পানিত বিচারকবৃন্দ রি-ডিক্লেয়ারেশন অনুমতি দিয়েছিলেন। বিগত ২০১৪ সালে কৃষ্ণনগর হোসেনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীর নামে ২০ হাজার টাকার অনুদান সংগ্রহ করলেও শিক্ষার্থীকে পুরোপুরি প্রদান করা হয়নি বলে ঔ শিক্ষর্থীর অভিবাবক জানিয়েছেন।
সদ্য সাংবাদিক হিসেবে যোগারকারী পচিহ্নিত প্রতারকদের মাধ্যমে অশিক্ষিত ও অর্ধ-শিক্ষিত তার সৃষ্ট গ্রাম্য এজেন্টদের শহরের সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে প্রতারনা করছেন এবং তাদের অর্জিত আয়ের সিংহভাগ পকেটস্থ করছেন। এ অপসাংবাদিকের প্রতারনার হাত থেকে জনগণকে রক্ষা করতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ জেলা প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহবান জানান ভুক্তভোগী মহল।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেই রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

আত্মহত্যা’ করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির সাবেক …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open