রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২০ : ৫:১১ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সংবাদ সম্মেলনে পারুল বেগম জহুর আলী হত্যায় আমার ছেলেদের হয়রাণি করতেই আসামি করা হয়েছে

Songbad sommelon pic]সবুজ সিলেট ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের বাওনপুর গ্রামে একটি মারামারির ঘটনায় নিহতের পরিবারের কেউ বাদি না হয়ে ভিন্ন এক ব্যক্তি বাদি হয়ে এলাকার অনেককেই হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগী একটি পরিবারের ৬ ছেলেকে আসামি করা হয়ে শত্রুতামূলক। ওই সন্তানদের পক্ষে তাদের মা পারুল বেগম পুলিশকে সুষ্ঠু তদন্ত করে তার নির্দোষ ছেলেদের অব্যাহতি দাবি করেছেন। গতকাল দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে পারুল বেগম এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাওনপুর গ্রামে জহুর আলী নিহত হন দুপক্ষের সংঘর্ষে। এ হত্যাকান্ডের মামলায় এলাকার এক ব্যক্তি শত্রুতা বশত পারুল বেগমের ছেলেদের আসামি করে হয়রানি করছে। এখন গ্রেপ্তার আতঙ্কে তার নির্দোষ ছেলেরা ঘরছাড়া। বাড়িতে ছেলেরা না থাকায় শত্রুরা বসতঘরে এসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। এতে পরিবার নিয়ে তিনি চরম আতঙ্কের মাঝে আছেন।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, চলতি বছর ১৮ জানুয়ারি গ্রামের একটি কবরস্থানের জমিতে মাটি কাটা নিয়ে কথাকাটাকাটির জের গ্রামের জহুর আলী গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধাীন অবস্থায় জহুর আলী মারা যান। তিনি মারা যাবার পর বিশ্বনাথ থানায় একটি হত্যা মামলা (নং ৯) দায়ের করা হয়। নিহতের পরিবারের স্ত্রী কন্যা-আপনজন কেউ বাদি না হয়ে গ্রামের অন্য এক ব্যক্তি আমরুশ আলী বাদি হয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে এ মামলায় গ্রামের অনেককে আসামি করে। আমরুশ আলী ও মতিন মাস্টারের পক্ষের লোকজনের মধ্যে এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই দুটি গোষ্ঠীর সাথে পারুল বেগমের পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।
পারুল বেগমের দাবি, মামলার পর জানতে পারি, আমরুশ আলী এই হত্যা মামলায় হিংসা পরায়ন হয়ে অবৈধ ফায়দা নেওয়ার উদ্দেশে আমার ৬ ছেলেকে আসামি করেছে। অথচ ঘটনার দিন আমার ছেলেরা কেউ বাড়িতে ছিল না। প্রকৃতপক্ষে আমরুশ আলী এই মামলায় আমার ছেলেদের জড়িয়ে নিরীহি লোকদের হয়রানি ও বেআইনি সুবিধা নিতে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে গণহারে প্রায় ২৮ জনকে আসামি করেছে। যে কারণে গ্রাম এখন পুরুষশূন্য।
পারুল বেগম আরও বলেন, ২০ জানুয়ারি বিকেলে আমার ছেলেরা ঘরে না থাকার সুযোগে আমরুশ আলী ও তার লোকজন আমার বসতঘরে বেআইনি প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। নারী সদস্যদের কিলঘুষি মেরে ফুল জখম করে। এ ঘটনায় আমি আদালতে একটি মামলা (সিআর নং ১৪) দায়ের করি। যা বর্তমানে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ তদন্ত করছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে আমার ছেলেদের মামলার দায় হতে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য সিলেটের পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বিশ্বনাথে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি মেম্বার গ্রেফতার

সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে উপজেলার দৌলতপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open