বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১ : ৪:০০ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

‘খুনি’ শিক্ষকের বিচার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে শাবি শিক্ষার্থীরা

indexশাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়ি চালনা শিখতে গিয়ে শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও সদ্য চালু করা যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আরিফুল ইসলামের খামখেয়ালীপনায় গাড়িচাপায় দুই পথচারী নিহত হওার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিতে শাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
বিশ^বিদ্যালয়ের এক কিলোতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে শিক্ষকের খামখেয়ালিতে বিশ^বিদ্যালয়ের ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’ এর উদ্যোগে এই মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ এর আয়োজন করা হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারি অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীদের একটি মৌন মিছিল বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুক্তমঞ্চ এসে এক সমাবেশে মিলিত হয়।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক শাহনেওয়াজ পাভেলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দিক থিয়েটারের সভাপতি অসাদুজ্জমান নয়ন, ‘মাভৈঃ’ আবৃত্তি সংসদের সভাপতি গিয়াস বাবু, শিকড়ের সভাপতি জেনিফার কাইয়্যুম, জোটের সাবেক আহ্বায়ক সারওয়ার তুষার প্রমুখ।
সমাবেশে দিক থিয়েটারের সভাপতি অসাদুজ্জমান নয়ন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করার দাবি জানিয়ে বলেন, বিশ^বিদ্যালযের শিক্ষক অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম একজন ব্যর্থ মানুষ। ঘটনা ঘটে যাওয়ার দুইদিন পরও তিনি নিজের ভুল শিকার করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের প্রতি কোন সমবেদনা জানাননি। আমরা বিশ^ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের দায়িত্ববোধ থেকে আজ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের প্রতি নূন্যতম ক্ষতিপূরনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছি।
‘মাভৈঃ’ আবৃত্তি সংসদের সভাপতি গিয়াস বাবু বলেন, আমরা এ দুইদিন পর্যবেক্ষণে ছিলাম দূর্ঘটনায় জড়িত ঐ শিক্ষক নিজের ভুল শিকার করেন কিনা। আমরা ভেবেছিলাম শিক্ষক নিজের দায়বদ্ধতা থেকে ভুল শিকার করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে যথটুকু সম্ভব ক্ষতিপূরণ দিতে এগিয়ে আসবেন। কিন্তু তিনি তা না করে আত্মগোপনে রয়েছেন। আমরা ঘটে যাওয়া ঐ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক শাহনেওয়াজ পাভেল বলেন, এত বড় একটা দুঘটনার পরও প্রশাসনের উদাসীনতা আমাদের চোখে পড়েছে। বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটিকে যে ভাবে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। পরে শিক্ষার্থীরা তদের দাবি দাওয়া নিয়ে শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক ভূইয়ার কাছে যান।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক ভূইয়া বলেন, ধামাচাপা দেয়ার প্রশ্নই আসেনা। এটি একটি দূঃখজনক ঘটনা এবং আমি মর্মাহত। বিষয়টি আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেছি এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে বিষয়টি যাবে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : মন্দিরের জমি দখল নিতে পুরোহিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা

প্রভাবশালী এক আওয়ামী লীগ নেতার যোগসাজশে মন্দিরের জায়গা দখলের জন্য স্থানীয় কিছু লোক এসব ঘটনা …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open