শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২০ : ৬:৩২ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

শাবি অধ্যাপক স্ব-পরিবারে পলাতক, মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার

imagesশাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও সদ্য চালু করা যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আরিফুল ইসলামের খামখেয়ালীপনায় গাড়িচাপায় দুই পথচারী নিহত হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন তিনি।
এদিকে, অধ্যাপকের গাড়ি চাপায় নিহত দুই জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রোববার ভোররাতে তাদের মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছলে তাদেরকে শেষ বারের মতো এক নজর দেখতে ছুটে আসেন সর্বস্তরের জনতা। তাদের আত্মীয়-স্বজনের আহাজারিতে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সকাল ১০ টার দিকে গিয়াস উদ্দিন ও বেলা ২ টার দিকে আতাউর রহমানের নামাজে জানাযা শেষে তাদেরকে পারিবারিক কবরস্থানে দাপন করা হয়। পৃথক জানাযায় হাজারো শোকার্ত এলাকাবাসী অংশ নেন।
গত শনিবার দুপুরে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক কিলোতে নিজের নতুন গাড়ি চালানো শেখার সময় তার চাপায় নিহত হন ছাতক ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক শেখ আতাউর রহমান (৫৫) ও তার মামা মো. গিয়াস উদ্দিনের (৬০) আহত হন আতাউর রহমানের ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে নগরীর দ্বীপ শিখা স্কুলের ছাত্রী রাহিবা রহমান (১৪)। ঘটনার পরপরই অধ্যাপক আরিফুল বিশ^বিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরলেও এরপর তাকে আর কোথাও দেখা যায় নি। এমনকি শোনিবার তদিন থেকেই তার বাসা খালি ছিলো। তার পরিবারের কাউকেও খোজে পাওয়া যায়নি।
বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক ভূইয়া জানান যে, তিনি (উপাচার্য) মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরলে ঐ শিক্ষককে দেখতে যান। ঐ শিক্ষক এখন কোথায় আছেন জানতে উপাচার্য তার অপারগতা জানিয়ে বলেন, তার সাথে এখন পর্যন্ত আমার আর কোন যোগাযোগ হয়নি, আমি শুনেছি চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি (আরিফ) বাসা ছেড়ে চলে যান।
এই শিক্ষক কোথায় আছেন তা প্রক্টরিয়াল বডি জানেনা উল্লেখ করেবিশ^বিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সামিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর পর স্পটে অধ্যাপক আরিফের সাথে আমাদের দেখা হয়েছিল। এরপর থেকে প্রক্টরিয়াল বডির সাথে তার কোন যোগাযোগ হয়নি। তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে দাবি করে তিনি আরো বলেন, আমি সকালে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তার মোবাইল বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করতে পারিনি।
এ বিষয়ে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার বলেন,‘ ড আরিফুলকে চিকিৎসা দেওয়ার স্বার্থে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়নি। এছাড়া ওই সময়ে কোনো লিখিত অভিযোগও আমরা পাইনি। তাকে খুঁজতে ক্লিনিকে গিয়ে জানা গেল তিনি পরিবার নিয়ে উধাও হয়েছেন।’
ওসি আক্তার হোসেন আরো বলেন, নিহতদের পরিবার আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। তারা মামলা করার জন্য থানায় আসবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি জানান পরিবারের কেউ বাদি হয়ে মামলা না করলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করবে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বিশ্বনাথে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি মেম্বার গ্রেফতার

সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে উপজেলার দৌলতপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open