সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০ : ১:২২ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সবজিতে কীটনাশক : মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশের মানুষ

indexডেস্ক রিপোর্ট : প্রতিদিনের রান্নার জন্য অপরিহার্য উপকরণ কাচাঁমরিচের ৯১ শতাংম নমুনার মধ্যেই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাত্রার কীটনাশকের উপস্থিতি পেয়েছেন বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষকরা । এছাড়া বেগুন,টমোটো শিমসহ বিভিন্ন সবজি ও শুকটিতে পেয়েছেন ক। ক্ষতিকর মাত্রার কীটনাশকের অস্তিস্ব। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব খাবার গ্রহণে কিডনি, যকৃত ওঅস্থিমজ্জার কার্যকারিতা হারানো সহ গর্ভবতী মায়েদের প্রতিবন্ধী শিশুসহ জন্মদানের আশষ্কা রয়েছে ।
এ কারণে দেশে নিরাপদ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রত আইন কার্যকরের দাবী।বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি খাদ্যদ্যব্য কীটনাশকেরঅস্তিস্ব পরীক্ষা করতে শাকসবজি ফলমূল ও মাছের উপর নিয়মিত গবেষণা করে থাকে বাংলাদেম কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিএ আরআই।সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি কীটতত্ব বিভাগের পেস্টিসাইড অ্যানাইটিক্যাল ল্যাবরেটরি গবেষকরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ওরাজধানীর বেশ কয়েকটি শপিঙমল থেকে সংগ্রহ কার ক্ষতিকর মাত্রায়কীটনাশকের উপস্থিতি পেয়েছেন। এরমধ্যে কাচাঁমরিচের ৯১ শতাংশ বেগুন টমেটোও শিমের ২৭ শতাংশ এবং শুটকির ৩৩ শতাং নমুনা রয়েছে কীটনাশকের উপস্থিতি তবে ময়দা আটা চাল এভং আলুর মধ্যে  কীটনাশকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। বিএআরঅই এর কীটতত্ব বিভাগের প্রদান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: সুলতার আহমেদ বলেন, কাচাঁমরিচে ৯১ শতাংশ নমুনার মধ্যে কীটনাশকের অবষ্টিাংশ পাওয়া গেছে ।শুটকির মধ্যে নিষিদ্ধ  বালাইনাশক পাওয়া গেছে । বেগুন বরবটি , শিম,করলা এই সবজিতে সবচেয়ে বেশী কীটনাশক পাওয়া গেছে ।এসব খাদ্য গ্রহণে কিডনি,যকৃত ওঅস্থিমজ্জার কার্যকারিতা হারানো সহ গর্ভবতী মায়েদের প্রতিবন্ধী শিশুসহ জন্মদানের আশষ্কা কথা জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা খাবার গ্রহণে নানা পরামর্শ দেণ   এবং  দেশে নিরাপদ  খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রত আইন কার্যকরের দাবী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আব ম ফারুক বলেন, কিডনি লিভার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। যে শিশু মায়ের শরীরের ভেতর বেড়েে উঠেছে তার মাংশপেশি হাড় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে । শারিরিক মানসিক বিকলাঙ্গ শিশু বা প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম নিচ্ছে । ড.মো: সুলতার আহমেদ বলেন, দুই শতাংশ লবণ পানিতে যদি শুটকি মাছ ভিজিয়ে রাখা হয় তাহলে কীটনাশকের প্রভাব ৩০- ৪০ শতাংশ দূরীভূত হয়। সবজির ক্ষেত্রে টেপের পানিতে ধুয়ে নিলে কীটনাশকের প্রভাবমুক্ত হয় । বিশেষজ্ঞদেও মতে, এ বিষয়ে অধিক গবেষণার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে আইন কার্যকরসহ কীটনাশক ব্যবহাওে মাঠ পর্যায়ে কঠোর নজরদারি দরকার । খাবার গ্রহণে সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি নিয়ম মেনে কীটনাশক ব্যবহার করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী বেবগম মতিয়া চৌধুরী।  পোকা মাকড় দমনের পাশাপাশি বিষমুক্ত খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনে প্রাকৃতিক পদ্ধতির উপর অধিক গুরুত্ব দেয়ার কথাও  জানান কৃষিমন্ত্রী ।
পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় চলতি সপ্তাহে রাজধানীর কাঁচা বাজারে শাক সবজির দাম হাতের নাগালে থাকলেও বেড়েছে মাছ মাংসের দাম । চলতি সপ্তাহে আলু , পিয়াজ , কাঁচামরিচসহ বেশিরভাগ সবজির দামই কমেছে । ফলে ক্রেতারা চাহিদা অনুযায়ী কিনতে পারছেনা শীতকালীন শাক-সবজি। শুক্রবার রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে এমন তথ্যই পাওয়া যায়। ভোজ্যতেল তেলও লিটার প্রতি ৫ টাকা কমেই বিক্রি হচ্ছে । তবে ডাল লবণ ,চিনি, আদাসহ নিত্যপণ্যেও দাম কিছুটা বাড়তি । এসব পণ্যের দাম কিছুটা বাড়তি । এসব পণ্যে কেজি প্রতি ৭ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে । মাছ- মাংসের বাজারও গেলো সপ্তাহের চাইতে কিছুটা বাড়তি । বাজার মাছের সরবরাহ থাকলেও ক্রেতারা বলছেন, দামে তার কোন প্রভাব পড়েনি । নতুন ধান কৃষকের ঘরে, তবুও দাম কমেছে না চালের। গত সপ্তাহ  থেকে রাজধানীর বাজারে কেজি প্রতি ৫ েেথকে ১০ টাকা দাম  বেড়েছে শীতের সবজির।রাজধানীর উত্তরবাড্ডা, মালিবাগ ও মুগদা খুচরা চালের বাজারে গুটি চাল ২৬  থেকে ২৮ টাকা, স্বর্ণা ২৮  থেকে ৩০ টাকা, পাইজাম ৩১  থেকে ৩৩ টাকা, আঠাশ (নতুন) ৩৫ টাকা, আঠাশ (পুরান) ৩৯  থেকে ৪২ টাকা, উনত্রিশ চাল ৩৪  থেকে ৩৬ টাকা, মিনিকেট ৪৬  থেকে ৫০ টাকা এবং নাজিরসা ৪৮  থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে উনত্রিশ চালের দাম গত সপ্তাহের  থেকে কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে উনত্রিশ বিক্রি হয়েছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায়। উত্তরবাড্ডার পাইকারি চাল বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম বলেন, ভালো আঠাশ ও মিনিকেট চাল  বৈশাখ মাসে বাজারে আসবে তাই দাম কমছে না।বর্তমান বাজারে  যে চাল পাওয়া যায়, তা সব পুরান চাল  যে কারণে দাম বেড়ে অপরিবর্তিত রয়েছে এমন কথা জানান একাধিক চাল বিক্রেতা।এদিকে, প্লাস্টিকের বস্তার পরিবর্তে পাটের বস্তায় চাল বিক্রির  ঘোষণা সরকারের পক্ষ  থেকে  দেওয়া হলে পাইকারি চাল বিক্রেতারা গত দুই মাস আগে  থেকেই চালের বস্তা প্রতি ২৫ টাকা দাম বাড়িয়ে দেন। তবে গত সপ্তাহ থেকে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজ ও আলুর দাম কমেছে কেজি প্রতি ১০ টাকা। গত সপ্তাহ  থেকে রাজধানীর বাজারে শীতের সবজি ১০ টাকা  বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি, পাতাকপি প্রতি পিস ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা গত সপ্তাহের থেকে ২০ টাকা  বেশি দামে এ সপ্তাহে প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ১০ টাকা কেজি প্রতি বেড়ে জাতভেদে ৫০  থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শালগমের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে কেজি প্রতি ২০ টাকা।
রাজধানীতে হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায় সবজির দাম বেড়েছে বলেও জানান সবজি বিক্রেতারা।এ সপ্তাহে বাজারভেদে  পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে  কেজি প্রতি ২৮  থেকে ৩০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে আলু বিক্রি হচ্ছে ২২  থেকে ২৫ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ৩২  থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দিন টমেটো, কাঁচা মরিচ, সিম, বাঁধাকপিসহ এ ধরনের সবজি চলতি মৌসুমের সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হতে  দেখা  গেছে কারওয়ান বাজারে।প্রতি  কেজি দানাদার সিম ২৫ টাকায়, টমেটো ২০ টাকায়, কাঁচা মরিচ ৩০ টাকায়, আমদানি করা  পেঁয়াজ ২৫ টাকায়, দেশি  পেঁয়াজ ২৮ টাকায়, প্রতিটি ফুলকপি ১৫ টাকায়, বাঁধাকপি ২০ টাকায় বিক্রি করার কথা জানান কারওয়ান বাজারের খুচরা দোকনী মাসুদ হাসান।বাজারে এদিন নতুন আলু মিলেছে ১৮  থেকে ২২ টাকা কেজিতে, যা চলতি মৌসুমে ১০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।চালবাজার ঘুরে  দেখা  গেছে, প্রতি কেজি মিনিকেট ৪৬ টাকায়, নাজিরশাইল মানভেদে ৪৫  থেকে ৬০ টাকায় এবং বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৩৮  থেকে ৪০ টাকায়।হাজি রাইস  ট্রেডার্সের মালিক ফিরোজ আলম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় নাজিরশাইল বস্তায় এক  থেকে  দেড়শ টাকা বেড়েছে। খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।গত বছরের শেষ দিকে মাংসের বাজারে কিছুটা চড়া ভাব  দেখা দিলেও নতুন বছরে তা কিছুটা কেটেছে।শুক্রবার প্রতি কেজি গরুর মাংস ৩৮০ টাকায়, খাসির মাংস ৬৫০ টাকায়, ফার্মের মুরগি ১৩৫ টাকায় এবং পাকিস্তানি মাঝারি সাইজের মুরগির জোড়া ৫৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা জানান সুমন নামে এক  দোকানী।
গত ডিসেম্বরে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪২০ টাকায় ও ফার্মের মুরগি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হয়।শুক্রবার পাতিহাঁসের জোড়া ৫০০ টাকায়, চীনাহাঁসের জোড়া ১১০০ টাকায় ও রাজহাঁস প্রতিটি ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা  গেছে। শীতে হাঁসের মাংসের চাহিদা বাড়ে বলে জানান অজিউর নামে এক বিক্রেতা।   মাছবাজার ঘুরে  দেখা  গেছে, বড় শোল ৫০০ টাকা ও মাগুর ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ছোট শিং পাওয়া  গেছে ৪০০ টাকায়, ৮০০ গ্রামের ইলিশের জোড়া পড়েছে ৯০০ টাকা এবং প্রতি কেজি রূপচাঁদা ৯০০ টাকা। বড় কাতল ৪০০ টাকা, রুই ৩৫০ টাকা ও বোয়াল ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি টাকা করার কথা জানান ব্যবসায়ী  গৌতম দাস।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open