বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১ : ৯:৪৪ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

পে-স্কেল সংশোধন নয় সমন্বয় হবে: অর্থমন্ত্রী

images ডেস্ক রিপোর্ট :: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আন্দোলন হলেও পে-স্কেল সংশোধনের  কোনো সুযোগ  নেই। তবে আলোচনার ভিত্তিতে কোনো প্রস্তাবনা এলে তা সংযুক্ত হতে পারে। গতকাল বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।
সচিবালয়ে গতকাল সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের ব্যাপারে আই হ্যাভ নো কমেন্টস। কেননা তারা তো বিভিন্ন কমিটির সঙ্গে আলোচনা করছেন, শিক্ষামন্ত্রী।আই অ্যাম ওয়েটিং  যে, শেষ পর্যন্ত কী হয়। নেগোসিয়েশেন চলছে, নেগোসিয়েশন ফাইনাল যখন হবে তখন আই শ্যাল টক।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অষ্টম  বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে  পে  স্কেলে পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি আরো বলেন, অধিকাংশ সময় এসব আন্দোলনের  কোনো ভিত্তি থাকে না। তারা বেতন কাঠামো না বোঝার কারণেই এসব আন্দোলন হচ্ছে।শিক্ষকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলবো না। শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি  দেখছেন। বেতন কাঠামো নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আন্দোলনের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখানে আমাদের কিছু দোষ ছিল। এটা ইতোমধ্যে সংশোধন হয়ে  গেছে।  সেজন্য তারা আন্দোলন  থেকে সরে  গেছে।অষ্টম বেতন কাঠামোয় সংশোধনী নয় সমন্বয় করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।নতুন  বেতন কাঠামো সংশোধনের সম্ভাবনা আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন,  নো।
পে-স্কেল সংশোধন হওয়ার কোনো কথাই নাই। ইট ইজ এ কোশ্চেন অব সার্টেইন অ্যাডজাস্টমেন্ট। বেতন কাঠামোর  বৈষম্য দূর করার দাবিতে আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নয় দিন পর কর্মবিরতির কর্মসূচি স্থগিত করে বুধবার ক্লাসে ফিরেছেন।গত মাসে অষ্টম বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশের পর আন্দোলন জোরদার করেন আগে থেকে এ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা। টাইম  স্কেল ও সিলেকশন  গ্রেড বাতিল করার বিরোধিতা করছিলেন তারা। পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ সচিবদের সমান গ্রেডে উন্নীত হওয়ার সুযোগ না থাকাকে মর্যাদাহানি হিসেবে দেখছিলেন শিক্ষকরা। শিক্ষকরা আপত্তি তোলার পর তাদের দাবি পর্যালোচনায় একটি কমিটি করে সরকার। কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকও করেন। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী শিক্ষকদের তিনটি দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্র“তি দিলেও ১০ দিন পর প্রকাশিত  গেজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।এরপর গত ১১ জানুয়ারি  থেকে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করে ৩৭ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিগুলোর জোট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসক, ২৬টি ক্যাডার ও বিভিন্ন ফাংশনাল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সংগঠন প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি মঙ্গলবার তাদের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেছে। তাদের দাবি পূরণে অগ্রগতি আছে কি না- এমন প্রশ্নে মুহিত বলেন, ওয়েল সমঝোতা হচ্ছে। এসব আন্দোলনের ভিত্তিই হয় ইগনরেন্স। রিপোর্ট পড়ার কারও সময় নেই। কারও সময় নেই অর্ডার পড়ার। এরপর তারা মুভমেন্টে যায়।প্রকৃচির মধ্যে কিছুটিা ভুল বোঝাবুঝি ছিল’ মন্তব্য করে মুহিত বলেন, আমাদেরও কিছুটা দোষ ছিল, যা তাদের সঙ্গে পরিষ্কার করা উচিত ছিল।প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির সঙ্গে অর্থ সচিব কথা বলেছেন বলে জানান অর্থমন্ত্রী। নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অসন্তোষ প্রসঙ্গে মুহিত বলেন, একটু ভুল হয়েছে। সচিব কমিটি এটা সংশোধন করবে। এছাড়া বাংলাদেশে চীনের বিভিন্ন  কোম্পানির বিনিয়োগ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, তারা এখন আমাদের বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য খুব বেশি আগ্রহী। তবে তাদের প্রকল্প দেয়ার আগে মন্ত্রণালয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। সরকারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে কোনো কথা বলবেন না অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open