বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১ : ১০:৫৬ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সিলেটে জোড়া খুন রিমান্ডের তথ্য অনুযায়ী আরও তিনজনকে খুঁজছে পুলিশ

imagesস্টাফ রিপোর্টার: সিলেটে বনফুলের দুই কর্মী রাজু-তপু খুনের ঘটনায় জড়িত তিনজনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এই তিনজনকে ধরতে পারলেই ঘটনার রহস্য বেরিয়ে আসবে ও বাকি আসামিও সনাক্তও সম্ভব হবে। তবে, তদন্তের স্বার্থে এখন ঘটনার মূল কারণ বলতে চাচ্ছে না পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার পরিদর্শক (ওসি) মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, একদিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামি আলমগীরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর দুদিনের রিমান্ড শেষে আজ শুক্রবার আদালতে চালান দেওয়া হবে অপর আসামি রায়হান সানিকে।
পুলিশ সূত্র জানায়, রাজু-তপু খুনের ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িতদের তথ্য উদ্ধার ও আলামত সংগ্রহের জন্য এ নিয়ে ৫জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ এখন ঘটনার রহস্য উন্মোচনের পথে। নিহত রাজুর উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বেঁচে যাওয়া আহত রাসেলের মোবাইল ফোনের কললিস্টও তোলা হয়েছে। কললিস্টের সন্দেহভাজনদের সঙ্গে রিমান্ডে পাওয়া তথ্যের যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। সে অনুযায়ী সন্দেহভাজন তিনজনকে খুঁজতে অভিযান শুরু করা হয়েছে। এদের ধরতে প্রযুক্তিরও ব্যবহার করা হচ্ছে। এই তিনজন নজরদারির মধ্যেই আছে। তবে, তারা অবস্থান বদলাচ্ছে। খুব শিগগিরই এদের গ্রেপ্তার করতে পারবে বলে আশাবাদি পুলিশ।
মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত পুলিশ অনেক আলামত সংগ্রহ করেছে। যা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত। এসবের মধ্যে আছে, ভিডিও ফুটেজ, দুটি মোবাইল সেট, নিহতদের রক্ত, এক পাটি জুতা, যেটা দৌড়ে পালানোর সময় ঘাতকদের কারো পায়ের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও কললিস্ট সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ঘটনায় বেঁচে যাওয়া আহত রাসেলের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। তার ঘাড়ে দায়ের কোপ। সে কারণে এখনো সে কথা বলতে পারছে না। রাসেলকে হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মামলার গ্রেপ্তারকৃত আসামি সম্পর্কে বনফুল এন্ড কোম্পানির এজিএম মাসুদ আহমদ বলেন,‘ পুলিশ যাকে সন্দেহ করবে, তাকে গ্রেপ্তার করবে। তবে, আমাদের দাবি থাকবে যেনো প্রকৃত আসামি প্রমাণসহ ধরা পড়ে।’
রাজু-তপু হত্যা মামলার বাদি নিহত রাজুর ভাই মাসুদ পারভেজ সবুজ সিলেটকে বলেন,‘ আমি চাই পুলিশ ঘটনার মূল কারণ খুঁজে বের করবে। এবং এ ঘটনায় জড়িত প্রকৃত আসামিকে ধরবে। সে যেই-ই হোক, আমি এই দুটি প্রাণের খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার চাই।’
প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৭টায় খাদিমপাড়াস্থ রুস্তমপুরে বিসিক শিল্প এলাকায় দুর্বৃত্তরা বনফুল’র কর্মচারি রাজু মিয়া (১৯), আবু মিয়া (২৫) ও রাসেল আহমদকে (২২) কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তারা রাজু ও আবুকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রাজু চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ দরদাহের হারুনুর রশীদের ছেলে এবং আবুর শরিয়তপুরের ধামড়া ধনই গ্রামের মৃত হাসু ডাক্তারের ছেলে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : মন্দিরের জমি দখল নিতে পুরোহিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা

প্রভাবশালী এক আওয়ামী লীগ নেতার যোগসাজশে মন্দিরের জায়গা দখলের জন্য স্থানীয় কিছু লোক এসব ঘটনা …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open