বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১ : ২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জাতি হতাশ: বিএনপি

fakhrul_1_98441ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারের দুই বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ভাষণে জাতি হতাশ হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন দাবি করে বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার গত দুই বছরে গণতন্ত্রের মুখোশ পড়ে একদলীয় শাসন কাজ এগিয়ে নিয়ে গেছে। গত দুই বছর ছিল গণতন্ত্র নির্বাসনে পাঠানোর বছর।’দলের পক্ষ থেকে এমন দাবি করে বলা হয়, ‘সরকারের গত দুই বছর ছিল বিরোধী দলকে দমনপীড়নের বছর। গণতন্ত্রকে বিদায় করে দিয়ে তথাকথিত উন্নয়নের কথা বলে জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করা এবং তাদের ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হয়েছে ।’বুধবার বেলা ১২টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বর্তমান সরকারের দুই বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভাষণে তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে আছে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল ডেল।একইসঙ্গে তিনি আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত সহিংসতা করে মানুষ হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন। দাবি করেছেন,বাংলাদেশে এখন গণমাধ্যম সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ হয়েছে দাবি করলেও ভাষণে আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা উল্লেখ করেননি শেখ হাসিনা।যদিও এর আগেওপ্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা বলেছেন, ২০১৯ সালে সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। তবে বিএনপির প্রত্যাশা তার আগেই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আগামী নির্বাচন ও রাষ্ট্রের সব বিভাগকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার কোনো নির্দেশনা ছিল না বলেও দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘সবাই আশা করেছিল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নির্দেশনা দেবেন।’বিএনপি জামায়াত নয়,সরকারি দলের নেতাকর্মী এবং কিছু সংস্থার লোকজন আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘ওই সময় ছাত্রলীগ, যুবলীগের অনেক নেতাকর্মী সহিংসতা চালাতে গিয়ে গ্রেপ্তারও হয়েছে। অথচ এসব মিথ্যা অভিযোগে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেয়া হয়েছে।’গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমগুলো সরকারের মতের বাইরে কিছুই বলতে পারে না। অনেক গণমাধ্যম বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে জেলখানায় আছেন। এছাড়া সারাদেশে অনেক সাংবাদিক সরকার দলীয় লোকদের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন।’সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.মঈন খান,নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ট্র্যাফিক নির্দেশনা

আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে আগামী শুক্রবার থেকে রোববার (২১-২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত রাজধানীতে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open