শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২০ : ৫:২৭ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সাঈদীর খালাস চেয়ে রিভিউ বুধবার

131380_1ডেস্ক রিপোর্ট: মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ডের চূড়ান্ত রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রিভিউ (আবেদন) করা হবে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
কাশিমপুর কারাগারে বুধবার সাঈদীর সঙ্গে তার আইনজীবী পরামর্শ করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় থেকে খালাস চেয়ে রিভিউর সিদ্ধান্ত নেবেন।
এ বিষয়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী জানান, ‘আগামীকাল (বুধবার) বাবার সঙ্গে আইনজীবীরা কাশিমপুর কারাগারে সাক্ষাৎ করবেন। বাবার সঙ্গে পরামর্শ করে রিভিউয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রায়ের সার্টিফাইড কপি হাতে পেয়েছি ৩ জানুয়ারি। সে অনুযায়ী রিভিউয়ের শেষে তারিখ ১৮ জানুয়ারি। তবে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এ রায় প্রকাশিত হয়। সে হিসাব করলে শেষ দিন ১৫ জানুয়ারি হয়। তবে ১৫ জানুয়ারি শুক্রবার হওয়ায় ১৭ জানুয়ারি (রবিবার) রিভিউয়ের শেষ দিন ধার্য করা হতে পারে।’
মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে জামায়াত নেতা মাওলানা সাঈদীর বিচার শুরু হয়েছিল ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর।
হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, নির্যাতন ও ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ রায়ের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় প্রথম তিন দিনে কমপক্ষে ৭০ জন নিহতের খবর পাওয়া যায়।
ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সাঈদী আপিল করলে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাঈদীর সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেয়।
অন্য চার বিচারপতি হলেন— সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহা, মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী।
আপিলের রায়ে ১০, ১৬ ও ১৯ নম্বর অভিযোগে হত্যা, নিপীড়ন, অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণ ও ধর্মান্তরে বাধ্য করায় সাঈদীকে ‘যাবজ্জীবন’ কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এখানে যাবজ্জীবন বলতে ‘স্বাভাবিক মৃত্যুর সময় পর্যন্ত’ কারাবাস বোঝানো হয়েছে।
এ ছাড়া ৮ নম্বর অভিযোগের একাংশের জন্য সাঈদীকে ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৭ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।
এর মধ্যে ৮ ও ১০ নম্বর অভিযোগে ইব্রাহিম কুট্টি ও বিসাবালীকে হত্যা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগে সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। আপিল বিভাগ থেকে এ পর্যন্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার পাঁচটি রায় এসেছে। এর মধ্যে শুধু সাঈদীর ক্ষেত্রেই রিভিউ বাকি রয়েছে।আরটিএনএন

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open