শনিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২১ : ৮:১৫ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সহিংসতার সিকিউরিটির দায়িত্বে ইসি ও প্রশাসন

5_96522ডেস্ক রিপোর্ট: শাসকগোষ্ঠী সন্ত্রাস ও ভোট কারচুপির মাধ্যমে পৌর নির্বাচন নিজেদের দখলে রাখার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ। তিনি দাবি করেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও সরকারি প্রশাসন ক্ষমতাসীনদের বেআইনি সহিংসতার নিরাপত্তা দিতে সিকিউরিটির দায়িত্ব পালন করছেন।’আজ মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশের সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব অভিযোগ করেন।নির্বাচনী এলাকাগুলোতে বিরোধী নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেপ্তার, সরকার সমর্থকদের প্রকাশ্য হামলা ও হুমকি চলছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী।রিজভী আহমেদ বলেন, ‘গত পরশু রাত থেকেই বেশির ভাগ পৌর নির্বাচনী এলাকায় চলছে নীরব ও প্রকাশ্য গ্রেপ্তার ও হুমকি অভিযান। ১০-১২টি মাইক্রোবাসসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা হঠাৎ করে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের বাসায় গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। উড়ো খবরের দোহাই দিয়ে পুলিশ-র‌্যাবের যৌথ বাহিনীর এই অপতৎপরতা মূলত কৌশলে জনগণের ওপর চাপ প্রয়োগ করা। যাতে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকেই ভয় পাইয়ে দেয়া নয় বরং জনগণকেও ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলা। ভোটাররা ভোট দিতে না যায়। ভোটের দিনে কেরামতি দেখানোর জন্যই এই অভিযানগুলো চালানো হচ্ছে।’বিভিন্ন জায়গায় হামলার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, জামালপুর, জয়পুরহাট, ঝালকাঠি, ঝিনাইদহ, মুন্সীগঞ্জ, খাগড়াছড়ি, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, পটুয়াখালী, নাটোর, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, সীতাকুন্ড, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, নওগাঁ সদর, নড়াইলের সদর, লক্ষীপুরের রামগতি,  বরগুনার পাথরঘাটা, হবিগঞ্জ সদর, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, রাজশাহীর বাঘাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে সরকার সমর্থকরা। এছাড়া সরকার মন্ত্রী-এমপিরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রশক্তিকে অবৈধভাবে কব্জা করে জনগণের টাকায় কেনা বন্দুক দিয়ে যারা জনগণের ওপরে আক্রমণ চালায় তারা কাপুরুষ। নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ও অপকীর্তির রেকর্ড তৈরি করে নির্বাচন নিয়ে সরকারের ঘৃণ্য পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিতে নির্ভীক, অকম্প ও অবিচলভাবে সরকারের মদগর্বী আস্ফালন অগ্রাহ্য করে আগামীকাল ভোট প্রদান করতে হবে এবং ভোটের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে। উদ্দীপ্ত বদ্ধপরিকরভাবে যেকোনো চক্রান্তকে নস্যাৎ করে দিয়ে ভোট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ট্র্যাফিক নির্দেশনা

আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে আগামী শুক্রবার থেকে রোববার (২১-২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত রাজধানীতে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open