শুক্রবার, নভেম্বর ২৭, ২০২০ : ১:৩৬ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

৬৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা চেয়ে পুলিশের চাহিদা পত্র ইসিতে

full_90522880_1444444987-1ডেস্ক রিপোর্ট: আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাবদ ৬৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা চেয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। এর মধ্যে গোয়েন্দা কার্যক্রম খাতে প্রায় ৯ কোটি টাকা চেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপালনকারী প্রতিষ্ঠানটি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত চাহিদা পত্র ইসিতে পাঠানো হয়েছে। ইসির সম্মতিতে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।চাহিদা পত্রে পৌরসভায় ৭৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবে। তাদের ভাতা বাবদ প্রায় ১১ কোটি ৪২ লাখ টাকা, যানবাহন বাবদ ৩৬ কোটি ১২ লাখ টাকা, শুকনো খাবার ৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমে ৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ও অন্যান্য ব্যয় বাবদ ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।চাহিদা পত্র পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ইসির বাজেট শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এনামুলক বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণায় পুলিশের ব্যয় বাবদ ৬৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা চাহিদার কথা জানিয়েছেন। কমিশন চূড়ান্ত করলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে।’ইসি কর্মকর্তারা জানান, ২৩৪টি পৌরসভায় পুলিশের ৭৩ হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। তবে বিজিবি, আসনার ও কোস্টাগার্ড এর চাহিদা পত্র পায়নি ইসি। পৌরসভা নির্বাচনে ১শ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে ইসি। তবে নির্বাচন শেষে কম বেশি হতে পারে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা খ্যাতে ব্যয় ধরেছে ৫৫ কোটি টাকা।নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, এবিপিএন, বিজিবি ও কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে। তারা ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর‌্যন্ত মাঠে থাকবে তারা। নির্বাচনে ১০২ পৌরসভায় ১ প্লাটুন বিজিবি। উপকুলীয় ৬টি পৌরসভায় এক প্লাটুন করে কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে।নির্বাচনের আগের দুদিন, ভোটগ্রহণের দিন, পরে একদিনসহ মোট চার দিন নির্বাচনী এলাকায় ফোর্স দায়িধত্ব পালন করবে।এছাড়া পুলিশ, এপিবিন, আনসার, র‌্যাব, বিজিবি ও কোষ্ট গার্ড সমন্বয়ে মোবাইল টিম ও স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা করতে মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।এদিকে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইনশৃ্ঙ্খলা মোতায়েন সংক্রান্ত পরিপত্রের খসড়া ভেটিং এর জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। পরিপত্রে সাধারণ কেন্দ্র প্রতি ১৯ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ জন ফোর্স রাখার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে কমপক্ষে ৫ জন (অস্ত্রসহ) ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কমপক্ষে ৬ জন (অস্ত্রসহ) পুলিশ সদস্যরা রাখার কথা বলা হয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২৩৪টি পৌরসভায় এক যোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open