সোমবার, মে ১৭, ২০২১ : ৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

আ.লীগের উল্টো পথে বিএনপি!

imagesডেস্ক রির্পোট: আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে শেষ বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীদের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তের উল্টো চিন্তায় বিএনপি।ক্ষমতাসীনরা যেখানে দলের বাইরে বিদ্রোহী প্রার্থীদের যেখানে বহিষ্কারের কথা বলছে, বিএনপি সেখানে বুঝিয়ে বাগে আনার চেষ্টা করছেন। এরপরও যারা প্রত্যাহার না করবেন তাদের ব্যাপারে সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নেয়ার ও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির নীতিনির্ধারকরা।এদিকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হতে একদিন বাকি।কিন্তু এখনো ২০ দলের অন্যতম শরিক জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারেনি বিএনপি।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করার জোর চেষ্টা চলছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।কিন্তু নানামুখি চাপে বেকায়দায় থাকলেও শেষ পর‌্যন্ত বিএনপির চাহিদামতো জামায়াত ছাড় দেবে না বলে জানা গেছে। বিএনপি ও জোটের একাধিক সূত্র এমনই আভাস দিচ্ছে।আগামী ৩০ডিসেম্বর দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় একযোগে নির্বাচন।এবারই প্রথমবারের মতো এই নির্বাচন হবে দলীয় প্রতীকে।জাতীয় নির্বাচনের মতো এতেও আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে হবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।সে কারণে দুই দলই ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিতে মরিয়া।যদিও নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে জোরালো শঙ্কা আছে বিএনপিতে।তবে শেষ পর‌্যন্ত নির্বাচনে থেকে ধানের শীষের জোয়ার দেখাতে চায় সংসদের বাইরে থাকা দলটি।যদিও জোটের শরিক এলডিপি ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)কে একটি করে পৌরসভা ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি।অন্যদিকে বিএনপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নির্বাচনে জয়ী হতে আওয়ামী লীগও শুরু থেকে কর্মকৌশল ঠিক করে এগোচ্ছে।দলটি প্রার্থী মনোনয়নে প্রাধান্য দিয়েছে এলাকায় গ্রহণযোগ্যতাকে।তবে এতো হিসেব নিকেশের পরও দুই দলে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী নিয়ে চিন্তার কমতি নেই। যদিও আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে বিদ্রোহীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে দল থেকে বহিষ্কারের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দেয়া হয়েছিল  আলটিমেটাম।কিন্তু আলটিমেটামের সময় পার হলেও অনেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেনি।তবে বিদ্রোহীদের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের উল্টো সূর বিএনপিতে।দলের ক্রান্তিকালে তৃনমূলের নেতাকর্মীদের কাছে ভুল ম্যাসেজ না যায় এবং নির্বাচনের মাঠে প্রভাব পড়ার ভয়ে বিদ্রোহীদের বিষয়ে নমনীয় দলটির নীতিনির্ধারকরা।ইতিমধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলছেন। দলের সংকট, বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে যে কোনো উপায়ে মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আছেন বিএনপির এমন এক নেতা ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এমনটাই জানিয়েছেন।বিএনপি ২৭ পৌরসভায় বিদ্রোহী প্রার্থীর কথা্ বললেও প্রকৃত সংখ্যা ৪৩।বিএনপির নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আছেন এমন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,’১৫ পৌরসভায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের বসাতে না পারলে বেশ ক্ষতি হয়ে যাবে। কারণ ওই জায়গাগুলোতে দলের প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা খুব বেশি ।’তবে বাকি ২৮টির মধ্যে ১৬টিতে প্রত্যাহার না হলেও খুব বেশি প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছে বিএনপি।যদিও এরইমধ্যে মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভায় বিদ্রোহী প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু আজ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।বিএনপিও আশা করছে শেষ দিন অর্থাৎ রবিবারের মধ্যে অনেকেই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিবেন।তবে শেষ পর‌্যন্ত ১০ পৌরসভায় বিদ্রোহীদের সরানো যাবে না এমনটা দলের নীতিনির্ধারকরাও জানেন।তাই শেষ পর‌্যন্ত কেউ থাকবে না এমনটা বলা হলেও বিএনপির মনোনীত ও বিদ্রোহী উভয় প্রার্থীরাই নির্বাচনের মাঠে থাকছেন।এদিকে খালেদা জিয়ার হাতে জামায়াতের ৩৫টি পৌরসভায় প্রার্থীর তালিকা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।তবে বিএনপি তাদের প্রধান শরিককে সর্বোচ্চ ১৫ পৌরসভায় ছাড় দিতে পারে বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে বিএনপির একজন সাংগঠনিক সম্পাদক নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে ভুলভ্রান্তি থাকা স্বাভাবিক। যে কারণে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়াটাও স্বাভাবিক। কিন্তু আন্দোলনে তৃনমূলের যে ভুমিকা তাতে এই অবস্থায় কঠোর হওয়া ঠিক হবে না। এটা ভেবেই বিদ্রোহীদের ব্যাপারে দল কিছুটা নমনীয়।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ট্র্যাফিক নির্দেশনা

আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে আগামী শুক্রবার থেকে রোববার (২১-২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত রাজধানীতে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open