শুক্রবার, নভেম্বর ২৭, ২০২০ : ১১:২৯ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

দুই ছাত্র হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

hajee_93113ডেস্ক রিপোর্ট : হত্যাকাণ্ডের আট মাসেও কোনো সুবিচার না পেয়ে এবার ছেলে হত্যার বিচারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছে দুই পরিবার। এ ব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।আজ বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিহত মো. জাকারিয়ার বাবা গোলাম মোস্তফা এবং মাহমুদুল হাসান মিল্টনের মা রেবেকা সুলতানা তাদের সন্তান হত্যার ন্যায়বিচারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দুই ছাত্র নিহত হন।তারা জানান, আসামিরা নিহতদের পরিবারকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন জায়গায় বিচার প্রার্থী হয়ে কাজে না আসায় সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন বলে লিখিত বক্তব্যে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে তারা বলেন, ‘আজকে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে, অনেক হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী অনেক বার বলেছেন, সব হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। তাহলে আমরা আমাদের সন্তান হত্যার বিচার কেন এখনও পাচ্ছি না? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি একজন মা। সন্তানহারা পরিবারের কষ্ট আপনি বুঝতে পারবেন। আপনি ছাড়া আমাদের কেউ ন্যায়বিচার দিতে পারবে না।’সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিহত মিল্টনের কাকা মাখসুদার রহমান লিখিত বক্তব্যে চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল এ দুই শিক্ষার্থী হত্যার জন্য দিনাজপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু ইবনে রজব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য রুহুল আমিন এবং তার ভাই যুবলীগ নেতা রশীদুলকে দায়ী করেন।মাখসুদার জানান, দুই মামলায় অভিযুক্ত এসব আসামির আশ্রয় দিচ্ছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর সদরের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম।মাখসুদার বলেন, এ ঘটনায় দু’টি মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার না করে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করতে গেলে সেখানেও হত্যাকারীরা হামলা চালায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাত দিনের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিলেও আসামিরা গ্রেপ্তার হয়নি।সংবাদ সম্মেলনে নিহত মিল্টনের ছোটবোন গোলাপী আক্তার, জাকারিয়ার মা জিন্নাতুন উপস্থিত ছিলেন। পুত্রশোকে কাতর দুই পরিবারের স্বজনরা ন্যায়বিচার চেয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন সংবাদ সম্মেলনে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open