মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০ : ২:২১ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সাতুরিয়ায় শেরেবাংলার জন্মভিটা সংরক্ষণের বাস্তবায়নের দাবি

jhalakati rajapur serebangla picমোঃ আল-আমিন, ঝালকাঠিঃ- অবিসংবাদিত নেতা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের স্বপ্নদ্রষ্টা শেরে বাংলা আবুল কাম ফজলুল হকের জন্মস্থান ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া মিয়াবাড়ির মাতুলালয়ের সেই জন্ম ভবনটি অবশেষে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রায় দেড়শ বছর পর অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হকের জন্মভিটা সংরক্ষণের উদ্যোগ সংশ্লিষ্টরা অভিনন্দন জানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবি জানান। উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামে শেরেবাংলার জন্মভিটা (নানা বাড়ি) নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া স্ব-চিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতœতত্ত্ব বিভাগ। আজ থেকে ১৪২ বছর আগে এখানেই জন্মেছিলেন শেরেবাংলা। খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর শেরেবাংলার মাতুলালয় সংরক্ষণের উদ্যোগ-সংক্রান্ত একটি চিঠি ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ও রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএসও) দপ্তরে পাঠিয়েছে। চিঠি পাঠানোর পর প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ওই স্থান পরিদর্শনও করেছেন বলে জানান ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক রবীন্দ্রশ্রী বড়–য়া। তিনি জানান, খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের পরিচালক আমিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেরেবাংলার জন্মস্থান সম্পর্কে সচিত্র প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে সব কাগজ তৈরি করে দ্রুত পাঠানো হবে। এর পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই দর্শনীয় স্থান সংরক্ষণের কাজ শুরু হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক। দীর্ঘদিন ধরে রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামে শেরেবাংলার জন্মস্থান সংরক্ষণসহ তাঁর মাতুলালয়ে একটি স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের দাবি করে আসছেন স্থানীয়রা। অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ‘বাংলার বাঘ’ খ্যাত শেরেবাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর ঝালকাঠির রাজাপুরের সাতুরিয়া মিয়াবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। এর আগে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে ২০০৮-০৯ সালে দেশের বিভিন্ন স্থানে পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার জন্য পর্যটন স্থান/স্পট চিহ্নিতকরণের কাজ করে। এ সময় শেরে বাংলার জন্মস্থানটিকে এর আওতায় নেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে প্রতœতত্ত্ব অধিদফতর শেরে বাংলার জন্ম-ভবনকে ১৯৬৮ সালের প্রতœতত্ত্ব সংরক্ষণ আইন (১৯৭৬ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় ভবনটি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রতœসম্পদ আইনের ১০ ধারা (১) উপ-ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ১ নং সাতুরিয়া মৌজার ৩ টি খতিয়ান ও দাগের মোট দশমিক ৬১ একর জমি সংরক্ষিত প্রতœসম্পদ বলে ঘোষণা করে।রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাংলার ঐতিহ্য শেরে বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হকের মাতৃভূমি (জন্মভিটা) সংরক্ষণ আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবী। স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবি জানান তিনি।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open