শনিবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ : ৬:১৮ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সাত বছরেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি তারেকের!

42884সিলেট ভিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার, খুনি এবং পাকবন্ধু বলার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রোববার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মুখপাত্র যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সারমর্ম এই দাঁড়ায় যে, সাত বছর চিকিৎসা নিয়েও তারেক রহমানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় নিজেদের বিস্ময়ের কথা জানিয়ে মুখপাত্র রিপন বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) আইনের চোখে কোনভাবেই পলাতক নয়।’২০১৩ সালের জুলাইয়ে লন্ডন থেকে ফিরে অবশ্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, তারেকের শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছে।সোমবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আপনারা জানেন, কথিত ১/১১’র সময়ে সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশ্যে তাকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হলে তিনি শারিরীকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং উন্নত চিকিৎসা নেয়ার উদ্দেশ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে লন্ডনে যান। তার শারিরীক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তিনি এখনও সেখানে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। আর সে কারণে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত কোনো অভিযোগ তিনি স্বশরীরে দেশে আইনীভাবে মোকাবিলাও করতে পারছেন না।রিপনের ভাষ্য অনুযায়ী, পলাতক ঘোষণা করে তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি মোটেই আইনসিদ্ধ হয়নি।২০০৭ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্তি নিয়ে পরের বছর সেপ্টেম্বরে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। তখন থেকে পরিবার নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন তিনি। এরপর চলতি বছর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো মালয়েশিয়াতে মারা গেলেও সেখানে যাননি তারেক রহমান, আসেননি বাংলাদেশেও। গণমাধ্যমে খবর রয়েছে পাসপোর্ট নবায়ন সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই মালয়েশিয়া যেতে পারেননি তারেক।একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাসহ বিভিন্ন মামলার বোঝা মাথায় থাকা তারেক গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কিত কটূক্তি করে আসামি হন আরো ডজনের বেশি মামলার। আইনের দৃষ্টিতে পলাতক থাকায় তার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে।  আজ রিপন আরো বলেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নানা প্রেক্ষাপটে নানা রাজনৈতিক বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে থাকেন। রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের বক্তব্য-বিবৃতি যদি আইন আদালতে গড়ায় তখন রাজনীতির প্রবাহ স্বাভাবিক থাকে না। কথার পৃষ্ঠে কথা, প্রতিপক্ষের বক্তব্যের বিপরীতে বক্তব্য এদেশের রাজনীতিতে কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের নানা বক্তব্যের সমালোচনা ও বিতর্কও অনাকাঙ্ক্ষিত নয়। মুক্তমতের সমাজে এ ধরনের পরিস্থিতি কোনো অসহিষ্ণুতার কারণ হয়েও দাঁড়ানোর কথা নয়।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ট্র্যাফিক নির্দেশনা

আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে আগামী শুক্রবার থেকে রোববার (২১-২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত রাজধানীতে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open