শনিবার, নভেম্বর ২৮, ২০২০ : ৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

৪ জনকে অভিযুক্ত করে সাঈদ হত্যা মামলার চার্জ গঠন

12নিউজ ডেস্কঃ হত্যার আট মাস পর আজ রবিবার শিশু আবু সাঈদ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন করা হলো। চারজনকে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্র্যাইব্যুনাল আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। শিশু রাজন হত্যা মামলার রায় প্রদানের দিনে রাজনের চার মাস আগে খুন হওয়া সাঈদ হত্যা মামলার চার্জ গঠন করা হল।
নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) এবাদুর রহমান পুতুল, র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব ও প্রচার সম্পাদক মাহি হোসেন মাছুমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্র্যাইব্যুনালের বিচারক।
মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ খান মানিক জানিয়েছেন, আজ আদালতে চার্জ গঠন ছাড়াও পলাতক থাকা আসামী জেলা ওলামা লীগের প্রচার সম্পাদক মাহি হোসেন মাছুমের মালামাল ক্রুকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
২৯ অক্টোবর মামলার নির্ধারিত তারিখে সিলেট মহানগর হাকিম প্রথম আদালত থেকে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি স্থানান্তর করা হয়।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে সিলেট মহানগর হাকিম ১ম আদালতে অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন মহানগর পুলিশের সহকারি কমিশনার (প্রসিকিউশন) আবদুল আহাদ চৌধুরী। মামলাটি তদন্ত করেন কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোশাররফ হোসাইন।
অভিযোগপত্রে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়। অভিযুক্তরা হচ্ছেন নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) এবাদুর রহমান পুতুল, র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব ও প্রচার সম্পাদক মাহি হোসেন মাছুম। এর মধ্যে মাছুম পলাতক ও বাকিরা কারান্তরীণ রয়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর অভিযোগপত্রের উপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন আদালত অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত।
চলতি বছরের ১১ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর রায়নগর থেকে স্কুলছাত্র আবু সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়। এরপর ১৩ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় বিমানবন্দর থানার পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের কুমারপাড়াস্থ ঝর্ণারপাড় সবুজ-৩৭ নং বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল এবাদুর, র‌্যাবের সোর্স গেদা ও ওলামা লীগ নেতা রাকিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার পর গা ঢাকা দেয় ওলামালীগের আরেক নেতা মাছুম।
এদিকে, গ্রেফতারের পর এবাদুর, গেদা ও রাকিব তিনজনই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তারা সাঈদ হত্যার সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে।
নিহত আবু সাঈদ রায়নগর হযরত শাহ মীর (র.) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ও একই এলাকার দর্জিবন্দ বসুন্ধরা ৭৪ নম্বর বাসার আব্দুল মতিনের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার এড়ালিয়াবাজারের খশিলা এলাকায়।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বিশ্বনাথে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি মেম্বার গ্রেফতার

সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে উপজেলার দৌলতপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open