শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২০ : ১২:১০ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সাক্ষ্য দিতে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন রাজনের মা লুবনা

সিলেট ভিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম: সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন রাজনের মা লুবনা আক্তার। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে রাজনের মায়ের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা।আদালত সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দুপুর ১২টা থেকে আদালতে রাজন হত্যা মামলার ৫ আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ওই পাঁচ আসামির মধ্যে নিহত রাজনের মা লুবনা আক্তারও ছিলেন। প্রথমেই নেয়া হয় রাজনের মা লুবনা আক্তারের স্বাক্ষ্য। ছেলে হত্যা মামলার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। কান্না থামিয়ে থেমে থেমে সাক্ষ্য দিতে তিনি প্রায় পৌণে ২ ঘন্টা সময় নেন।রাজনের বাবার নিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট শওকত চৌধুরী জানান, রাজনের মা লুবনা সাক্ষ্য দিতে এসে ছেলের জন্য কান্না করেছেন। এক পর্যায়ে কেঁদে কেঁদে তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি তাঁর ছেলে হত্যাকারী কামরুল, ময়না, মুহিদসহ অন্যদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।আদালতে আসা রাজনের বাবা আজিজুল রহমান জানান, রাজনের মা অসুস্থ থাকার কারণে গত ১ অক্টোবর সাক্ষ্য দিতে পারেনি। তাই আজ তিনি সাক্ষি দিয়েছেন। তবে সাক্ষ্য দিতে এসে ছেলের জন্য কান্নাাকাটি শুরু করেন। তাই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দ্রুতে তাকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।’এদিকে, রাজনের মা ছাড়াও আরো চার আসামি সাক্ষ্য দিতে রবিবার আদালতে হাজির হয়েছিলেন। তারা হলেন- রাজনের ছোট চাচা শেখ মো. আল আমিন, প্রতিবেশী ইশতিয়াক আহমদ, রাজন হত্যার ঘটনাস্থল কুমারগাঁয়ের ব্যবাসায়ী জিয়াউল হক ও মাসুক মিয়া।তাদের মধ্যে আল আমিন, জিয়াউল হক, ও মাসুক মিয়ার সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আদলতের পিপি অ্যাডভোকেট মফুর আলী। আর ইশতিয়াক আহমদের সাক্ষ্য আগামী ৭ অক্টোবর নেয়া হবে বলে জানান তিনি।এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আলেচিত এ মামলায় সাক্ষ্য দেন মামলার বাদি জালালাবাদ থানার সাময়িক বরখাস্তকৃত এসআই আমিনুল ইসলাম ও রাজনের বাবা আজিজুর রহমান।আগামী ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবরও সাক্ষ্য নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পিপি মফুর আলী। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৩৮ জনের জাবানবন্দি শুনবে আদালত।এডভোকেট মফুর আরো জানান, রবিবার সাক্ষ্য গ্রহনের সময় রাজন হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত ১০ আসামি উপস্থিত ছিলেন।আসামিরা হলেন- সদর উপজেলার শেখপাড়ার বাসিন্দা কামরুল ইসলাম, তার ভাই মুহিত আলম, আলী হায়দার ও শামীম আহমদ; পাভেল আহমদ,  ময়না চৌকিদার, রুহুল আমিন, তাজউদ্দিন আহমদ বাদল, দুলাল আহমদ, নুর মিয়া, ফিরোজ মিয়া, আছমত উল্লাহ ও আয়াজ আলী। এদের মধ্যে পলাতক কামরুল, শামীম ও পাভেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়েছে।গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে খুঁটিতে বেঁধে ১৩ বছরের রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরাই নির্যাতনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিলে সারাদেশে ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেই রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

আত্মহত্যা’ করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির সাবেক …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open