বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০ : ৯:৪২ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

ধর্ষণে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল নেতার যৌথ মিশন

সিলেট ভিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম: যশোরের চৌগাছায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের দুই নেতার নেতৃত্বে এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ হয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুরে চৌগাছা শহর থেকে এই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে লম্পটরা এই অপকর্ম করে।ছাত্রীর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের দুই নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে। অন্য ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত ধর্ষকরা হলো চৌগাছা পৌর ছাত্রলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক পারভেজ সানি, পৌর ছাত্রদলের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি উজ্জ্বল এবং ছাত্রলীগ কর্মী শিমুল। পারভেজ সানির বাবা চৌগাছা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর।প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, গতকাল দুপুরে ওই স্কুলছাত্রী তার এক বন্ধুর সঙ্গে চৌগাছা বাজারের শাহাদত পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বসে গল্প করছিল। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা পারভেজ সানি ও ছাত্রদল নেতা উজ্জ্বল তাদের জোর করে তুলে নিয়ে পাশেই ডাকবাংলোপাড়ার মাদক ব্যবসায়ী আলামিনের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়।সেখানে তারা ছেলেটিকে মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাড়িয়ে দেয়। পরে পারভেজ সানি, উজ্জ্বল, শিমুল, আলামিনসহ বেশ কয়েকজন লম্পট কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করতে থাকে। একপর্যায়ে নির্যাতিতার চিৎকারে এলাকাবাসী ঘটনা টের পেয়ে চৌগাছা থানাপুলিশে খবর দেন।পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক পারভেজ সানি, উজ্জ্বল ও শিমুলকে গ্রেফতার করে। অন্যরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। ধর্ষিতার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চৌগাছা হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে।চৌগাছা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই শরিফ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ধর্ষকদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’এদিকে, ধর্ষিতা ছাত্রীকে বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার কাজল মল্লিক ‘রেপ ভিকটিম’ হিসেবে নথিভুক্ত করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে নেন।হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিৎসক রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে।সন্ধ্যায় চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেন থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই শরিফ হোসেন। তিনি জানান, ভিকটিমের বাবা মেয়ের চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থান করছেন। তাই এখনো থানায় মামলা হয়নি। তবে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ট্র্যাফিক নির্দেশনা

আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে আগামী শুক্রবার থেকে রোববার (২১-২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত রাজধানীতে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open