সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০ : ৪:৪১ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

নিউজপোর্টাল’র আড়ালে সিলেটে রমরমা নারীদেহ ব্যবসা

সিলেট ভিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কমঃসিলেটে নিউজপোর্টাল ওসাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে চলছে রমরমা নারীদেহ ব্যবসা। ঘটছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনাও। বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে লাখ লাখ অন্লাইন নিউজ পোর্টাল ও নামধারী সাংবাদিক। এধরনের পোর্টাল-এর বহু সংখ্যক পরিচালক বা এডমিন জড়িয়ে পড়ছেন অপরাধমূলক কর্মকান্ড ও ঘৃনিত রকমফের পেশা ও ব্যবসায় । হযরত মাহজালাল (র.)-এর স্মৃতিবিড়ড়িত পুন্যভুমি সিলেটেও এর ব্যতিক্রম নেই। রাস্তায় বেরোলেই মোটর সাইকেলের সামনে-পেছনে লেখা ‘প্রেস বা সাংবাদিক’। আইনশৃংখলা বাহিনীর লোকজন ভয়ে তাদের সমীহ করে চলে। আর এ সুযোগে প্রভাব খাটিয়ে যতসব ঘৃনিত পেশা ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে সাংবাদিক নামধারী কতিপয় পোর্টালিষ্ট। তাদের পেশা ও ব্যবসার ভাগ বাটোয়ারা নিয়েও মাঝে মধ্যে ঘটে যায় অপ্যীতিকর ঘটনা। শুক্রবার (২৮আগস্ট) ভোররাত ২টায় এধরনের একটি অঘটন ঘটে যায় নগরীর লালড়িঘীরপারে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সাংবাদিক পরিচয়দারী ফারুক, তাজুল ও সুমন প্রত্যেকই একেকটা নিউজপোর্টাল-এর এডমিন বা পরিচালক। ফারুক আহমদ ক্রাইম সিলেট, তাজুল ইসলাম ওরফে কানা তাজুল বাংলার বারূদ ও সুমন আহমদ দৈনিক আমার সংবাদ-এর যথাক্রমে সম্পাদক,ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও স্টাফ রিপোর্টার পরিচয় দিয়ে দিবানিশি দাপিয়ে বেড়ান সিলেট নগরী। শেল্টার দিয়ে থাকেন অতি লাভজনক নারীদেহ ব্যবসায়। তাদের শেল্টারে নগরীর কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও ফ্ল্যাট বাড়িতে গড়ে উঠেছে নারীদেহের ব্যবসা তথা মধুকুঞ্জ। সাংবাদিকতার প্রভাবসহ বিভিন্নভাবে আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনীকে সামাল দিয়ে তারা পরিচালনা করছেন ওই মিনি পতিতালয়গুলো। আবার তাদের পাত্তা না দিয়ে যদি অন্য কেউ এ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে তা হলে তারা তাদের বিরুদ্ধে নিজ নিজ পোর্টালে নিউজ প্রচার করে ও আইন শৃংখলা বাহিনী দিয়ে অভিযানও পরিচালনা করায়। কয়েকদিন পূর্বে নগরীর জিন্দাবাজারের সবুজবিপনী হোটেল, সুরমা মার্কেটের নিউ সুরমা হোটেল ও লালদিঘীরপার-কালীঘাটস্থ সাইনবোর্ড বিহীন সোনালী হোটেল-এ আইন শৃংখলা বাহনী দিয়ে অভিযান পরিচালনা করায় তারা। বাধ্য হয়ে হোটেলগুলোর ব্যবসায়ীরা হাত মেলায় সাংবাদিক নামধারী ওই চাঁদাবাজদের সাথে। পরবর্তীতে সাংবাদিক নামধারী ওই লোকজনও পার্টনার হয়ে যায় ঘৃনিত এ ব্যবসার। নারীদেহ ব্যবসায় অর্জিত কাড়ি কাড়ি টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। শুক্রবার ভোর রাত ২টায় নারীদেহ ব্যবসার টাকার ভাগ নিয়ে ঘটে যায় অঘটন। দীর্ঘদিনের পরিচিত ও কুখ্যাত নারী ব্যবসায়ী তাজুল ওরফে কানা তাজুল, ফারুক, সুমন ও সাহেদ ওরফে লিক-এর মধ্যে টাকার ভাগ নিয়ে মারামারি ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় নারী ব্যবসায়ী সাহেদ-এর লোকজন, ফারুক, তাজুল ও সুমনকে পিঠিয়ে গুরুতর আহত করে সাংবাদিক প্লেটধারী তাদের ৩টি মোটার বাইক ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় ও আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় সাহেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।এব্যাপারে ফারুক আহমদ জানান, তাজুলের সাথে ঘটনার রাতে তার টাকা লেনদেনের কথা ছিল বলে তিনি লালদিঘীরপারে গিয়েছিলেন। এসময় তারা তিনজন হামলার শিকার হন। তিনি জানান, পলিথীন আলীর শ্যালক সাহেদও নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের ব্যবসা করে। এ নিয়ে নিউজ করায় তাদের উপর হামলা করে সাহেদ। তবে তাজুল ওরফে কানা তাজুল আগে দেহ ব্যবসা করতেন একথা স্বীকার করেন তিনি।