শনিবার, জুলাই ২৪, ২০২১ : ৫:৫৫ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

খালেদার বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন ১৪ জুলাই

সিলেটভিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম :  ড্যান্ডি ডাইংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ইস্যু গঠনের জন্য ১৪ জুলাই পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।  মঙ্গলবার সকালে ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস এ দিন ধার্য করেন। আজ এই মামলার ইস্যু গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল।  মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা সমনের জবাব দিতে না পারায় তার আইনজীবী জয়নাল আবেদিন মেজবাহ সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে ইস্যু গঠনের জন্য ১৪ জুলাই দিন ধার্য করেন।   এর আগে আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শার্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার জন্য ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।  আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন।  চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি আরাফাত রহমান কোকো হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান।  এ মামলায় অন্য বিবাদীরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার মামা প্রয়াত সাঈদ ইস্কান্দারের ছেলে শামস ইস্কান্দার ও সাফিন ইস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া ইস্কান্দার ও স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন (অন্য মামলায় বর্তমানে কারাগারে), মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, মিসেস শামসুন নাহার, মাসুদ হাসান। আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শার্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান।  মামলার এজাহারে জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিবাদীরা ড্যান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। এর পর ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনে উল্লেখ করা ঋণ মঞ্জুর করে।  ২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তাদের সুদ মওকুফ করে। পরবর্তীতে বিবাদীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক আবারও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণও করে দেয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বার বার কালক্ষেপণ করতে থাকেন।  ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য বিবাদীদের চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হলেও তারা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি।  ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপীর অভিযোগে ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ট্র্যাফিক নির্দেশনা

আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে আগামী শুক্রবার থেকে রোববার (২১-২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত রাজধানীতে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open