শনিবার, মার্চ ৬, ২০২১ : ২:৩৮ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

নারী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে আধাঁর থেকে আলোয় ফেরালেন কেয়া চৌধুরী

সিলেটভিউজ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উভার্ট গ্রামের মুক্তিযোদ্ধ রাজিয়া খাতুন এর ছেলে শহিদুল ইসলামের এর কৃত্রিম পা লাগানো প্যাকেজ সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসার পর সুস্থ মানুষের মত হেটে বৃহস্পতিবার সিলেট নগরীর জালালাবাদ প্রতিবন্ধি হাসপাতাল ত্যাগ করেন শহিদুল ইসলাম। এ সময় জালালাবাদ প্রতিবন্ধি হাসপাতালের উপস্থিত ছিলেন এমপি কেয়া চৌধুরী।

এ ছাড়া সিলেট-হবিগঞ্জ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী এমপি হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উভার্ট গ্রামের মৃত হামিদ মালদারের স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধো রাজিয়া খাতুনকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন।

রাজিয়া খাতুন মুক্তিযোদ্ধের সময় ৩নং সেক্টরে কাজ করতেন কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় নির্যাতনে স্বীকার হয়েছেন তিনি এই দেশের জন্য কিন্তু স্বামী মৃত্যর পর এক ছেলে এবং এক মেয়েকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন রাজিয়া খাতুন।

তিনি হেটে হেটে রাস্তায় রাস্তায় কাপড় বিক্রি করতেন ঐ রোজগারের টাকা দিয়ে রাজিয়া বেগমের সংসার চলতো। বেশ কিছুদিন পর আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী অসহায় মহিলা মুক্তিযোদ্ধো শোনে প্রথমে কেয়া চৌধুরী নিজ উদ্যোগে সংগঠনের মাধ্যমে রাজিয়া খাতুনকে একটি গাভি ক্রয় করে দেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ব্যবস্থা করে দেন। তার পর দিন বদলাতে থাকে রাজিয়া খাতুনের। এর পর আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর রাজিয়া খাতুনের জন্য সাহায্যর একটি প্যাকেজ নিয়ে যান তিনি। কেয়া চৌধুরী উভার্ট গ্রামে গিয়ে দেখতে পান রাজিয়া খাতুন একটি নুংড়া জায়গায় জোপড়িঘর বানিয়ে ছেলে এবং মেয়েকে নিয়ে থাকেন। খোঁজ নিয়ে যানতে পারেন রাজিয়া খাতুনের ঘরের স্থান টুকু নিজের নয়। তাই তিনি তার আত্মীয় স্বজনের সাথে বৈঠক করে বলেন উনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তাই আমাদের উচিৎ তাদের জন্য ভালো একটা কিছু করা। যদি আপনারা ঐ জায়গা টুকু রাজিয়া খাতুনের নামে রেজিষ্ট্রারি করে দেন তাহলে আমি ঐ পরিবারের জন্য একটি ঘর তৈরি করে দেব। এরপর আত্মীয়স্বজনরা ঐ নুংড়া জায়গা টুকু রাজিয়া খাতুনের নামে রেজিষ্ট্রারী করে দেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকার শেখ হাসিনার সহযোগীতায় কেয়া চৌধুরী ঐ মুক্তিযোদ্ধা রাজিয়া খাতুনের পুরো বাড়িটুকু নির্মান করেন। রাজিয়া খাতুনের ছেলে শহিদুল ইসলাম সড়ক দূর্ঘটনায় একটি পা হারিয়ে ফেলেন ঘর নির্মানের পর একটি পা ও সিলেট জালালাবাদ প্রতিবন্ধি হাসপাতালের সহযোগীতায় কেয়া চৌধুরী শহিদুল ইসলামের চলার সুযোগ করে দেন।

এ ছাড়াও এমপি কেয়া চৌধুরী আশ্বাস দিয়ে বলেন, যাতে এই পরিবারের কোন সমস্যা না হয় শহিদুলের জন্য একটি চাকুরির ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

যে জনিসিটি সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করলে থাকবে আজীবন যৌবনরে নশ্চিয়তা

লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: সৌর্ন্দযরে দকি থকেে জাপানজি নারীরা সবসময়ইে অনবদ্য। বশিষে করে তাঁদরে ঝলমলে চুল …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open