বুধবার, নভেম্বর ২৫, ২০২০ : ১০:২০ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সারা দেশে জমে উঠেছে ঈদ বাজার-ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর বিপণি বিতানগুলো

সিলেটভিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম : মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। ইতিমধ্যে সারা দেশে জমে উঠেছে ঈদ বাজার।
ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত বিপণি বিতানগুলো। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। ঈদ উপলক্ষে বাজারে এসেছে বাহারি পোশাক। তবে এর মধ্যে ভারতীয় সিনেমা ও বাংলা সিরিয়ালের বিভিন্ন চরিত্রের নামে আসা পোশাক নিয়ে এবারও চলছে মাতামাতি। গত বছর পাখি ড্রেস কিনতে না পারায় অনেকে আত্মহত্যা পর্যন্ত করে। যুগান্তর প্রতিনিধিরা জানান-
নাটোর : ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়েছে নাটোরের ঈদ বাজার। নাটোর শহরের বিভিন্ন বিপণি বিতানগুলো বেচা-বিক্রিতে ভিড় বেড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। পুরুষের চেয়ে মেয়েদের উপস্থিতি অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। ব্যাপক ভিড়ের কারণে শহরে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এবার দোকানে বিভিন্ন পোশাকের মূল্য বেশি হলেও ক্রেতারা তাদের পছন্দ মতো পোশাক ক্রয় করছেন।
ভেড়ামারা : কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ঈদের বাজার জমে উঠেছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে নিয়ে কেনা-কাটায় যেন উৎসবের রঙ লেগেছে। মার্কেটগুলোতে দেশীয় পণ্যের চেয়ে ভারতীয় পণ্যে ছয়লাব। ক্রেতারা বলেছেন, বাজার দখল করে রেখেছে ভারতীয় পণ্যে। দাম হাঁকানো হচ্ছে আকাশ ছোঁয়া।
সৈয়দপুর : সারা রাত বেচা-কেনা চলছে উত্তর জনপদের ব্যতিক্রম শহর সৈয়দপুরে। যেখানে ঈদ উৎসবে সারা রাত দোকানপাট খোলা থাকে। ফলে এখানকার ঈদ বাজার জমে উঠেছে। রেডিমেড কাপড়ের বাজারে ভারতীয় সিরিয়ালের নামে পোশাক প্রভাব ফেলেছে। এর মধ্যে চাহিদার শীর্ষে ‘কিরণমালা’ আর নরেদ্র মোদির পাঞ্জাবি। বিভিন্ন বয়সের নারীরা চোখ বন্ধ করে কিনছেন কিরণমালা আর ছেলেরা কিনছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঞ্জাবি। ঈশ্বরদী (পাবনা) : ঈশ্বরদীতে ঈদ বাজার জমে উঠেছে। টানা বর্ষণের পর মন্দা কাটিয়ে প্রাণ ফিরেছে ঈদ বাজারে। ঈদের দিন যতই এগিয়ে আসছে ঈশ্বরদীতে ঈদের বাজার ততই জমে উঠছে। নারী-শিশুসহ নানা ধরনের ক্রেতার ভিড়ে ঈশ্বরদীর পৌর সুপার, জাকের প্লাজা, মনির প্লাজা, ওসমান গণি সুপার মার্কেটসহ ঈশ্বরদীর কয়েকটি বাজার ক্রেতার পদভারে মুখরিত হয়ে উঠছে। আনন্দের সময় ঘনিয়ে আসায় ক্রেতাদের মুখর পদচারণায় প্রাণ জেগেছে বিপণি বিতানগুলোতে। বিক্রেতাদের ব্যস্ত সময় কাটছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ে।
ভৈরব : ঈদকে সামনে রেখে ভৈরবের পাদুকা কারখানাগুলোতে পাদুকা উৎপাদনে শ্রমিকরা দিন-রাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অপরদিকে এখানের পাইকারি মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে বেচা-কেনা। প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা শহর থেকে ক্রেতারা ভৈরবের পাদুকা মার্কেটগুলোতে পাদুকা কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন। কারখানাগুলোতে বিভিন্ন ডিজাইন ও রঙয়ের জুতা তৈরি হচ্ছে। ভৈরবে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার পাদুকা কারখানা রয়েছে। এ কারখানাগুলোতে প্রায় ৩০/৩৫ হাজার পাদুকা শ্রমিক কাজ করছেন।
ভোলা : ভোলায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পর মঙ্গলবার থেকে ঈদের বাজার জমে ওঠেছে। সকাল থেকে কেনাকাটায় মহিলাদের ভিড় জমে উঠেছে। জিয়া মার্কেট, জাহাঙ্গীর প্লাজা, কে-জাহান, তালুকদার ভবন, চৌধুরী প্লাজা, আমেনা প্লাজা, চকবাজার শপিংমলগুলোতে ভিড় সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। চকবাজার ও হকার্স মার্কেটে নিুআয়ের মানুষের ভিড় লক্ষণীয়।
রাউজান : রাউজানে ঈদের বাজার সরগরম হয়ে উঠেছে। উপজেলার বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র পথেরহাট ও ফকিরহাটে গড়ে উঠা মার্কেটগুলো ছাড়াও উপজেলার পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে গড়ে উঠা বিপণিবিতান, সাধারণ দোকানে শেষ মুহূর্তে এসে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কালাই (জয়পুরহাট) : ঈদকে সামনে রেখে জয়পুরহাটের কালাই পৌর শহরের তালুকদার শপিং কমপ্লেক্স, তালুকদার কমপ্লেক্স, তালুকদার ম্যানশন, ছয় ভাই সুপার মার্কেটের বিভিন্ন বিপণিবিতান, শপিংমল, বুটিক হাউসগুলোতে ঈদের বাজার পুরোদমে জমে উঠেছে।
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) : চন্দনাইশ উপজেলায় এবারও ঈদবাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। ঈদের মাত্র ১০ দিন বাকি। দিন যত গড়াচ্ছে ততই কেনাকাটায় চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সব ধরনের সামগ্রীর দোকান। বাজারগুলোতে দর্শক ও ক্রেতাসাধারণের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে।
দাগনভূঞা : দাগনভূঞা উপজেলা সদরের বিপণিবিতান ছাড়াও মফস্বল হাট-বাজারের দোকানগুলোতে ক্রেতাসাধারণের সমাগম বাড়তে শুরু করেছে। অধিকাংশ বিপণিবিতানগুলোতে মহিলা খরিদ্দার সমাগম বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেই রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

আত্মহত্যা’ করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির সাবেক …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open