শনিবার, নভেম্বর ২৮, ২০২০ : ৭:৪৫ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

নিয়ন্ত্রণে রাখুন দ্রব্যমূল্য

পবিত্র রমজানকে উছিলা করে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সাধারণ প্রবণতা আছে বাংলাদেশে। গত কয়েক বছর এই অনভিপ্রেত সমস্যাটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেও কিছু সবজি ও রমজানে ব্যবহার্য অন্যান্য পণ্যে ঊর্ধ্বগতি ছিল। এ বছরও তেমনি লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। রমজানে সাধারণত চিনি, তেল, খেজুর ও  ছোলার গায়ে আঁচড় পড়ে বেশি। এবার আগে থেকেই সরকার  খেজুর, চিনি ও ছোলার মজুদ গড়ে তুলেছে। সরকারি সংস্থা টিসিবি কয়েক মাস আগে থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিলেও তাদের মজুদের পরিমাণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয় বলে আগেই সমালোচিত হয়েছে। এবছর ভরা বর্ষায় রমজান চলবে। আর এই সময় সবজির উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই কম থাকে। বিশেষ করে কাঁচামরিচ, ধনিয়াপাতা ও শসার চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন হয় না মৌসুমের কারণে। ফলে এগুলোর মূল্য বৃদ্ধি হয়। রমজানের সময় মাংসের দাম বৃদ্ধি একটা রেওয়াজের মতো হয়ে গেছে। এবছর মাংসের দাম আগেই বেড়ে গিয়ে উচ্চতর পর্যায়ে ঠেকেছে। মুরগির মাংসের দাম এই সপ্তাহেও বেড়েছে। বর্ষায় মুরগির ফলনে প্রতিকূলতা থাকে। অন্যদিকে ভারতীয় সীমান্ত পথে গরু আসা কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। সেটাও বেশ কিছুদিন ধরে। রমজানে এর ইতিবাচক পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না। সুতরাং ভোক্তাকে মাংসের বিকল্প চিন্তা করতে হবে। তবে চিনি, তেল, ডালের মতো ভোগ্যপণ্যগুলো বরাবরের মতো খোলাবাজারে বিক্রি শুরু করলে বাজার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। এক্ষেত্রে বিগত সময়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে হবে। সাধারণত খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি হয় ট্রাকে করে। ট্রাকের সংখ্যা বাড়িয়ে নগরের মধ্যবিত্ত এলাকাগুলোতে সরবরাহ বৃদ্ধি করতে হবে। একইসঙ্গে ঢাকার বাইরের ক্রেতাদের কথাও ভাবতে হবে। গ্রামের বাজারগুলোতে নির্দিষ্ট দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির সুবিধা করে দিতে পারলে তৃণমূল পর্যায়ের ক্রেতারাও সুফল ভোগ করবে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮.৯৫ শতাংশ

নিউজ ডেস্ক : চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) রপ্তানি আয় বেড়েছে আগের অর্থবছরের একই …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open