বুধবার, ডিসেম্বর ২, ২০২০ : ৬:৫২ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

যাত্রীসেবার মান বাড়াতেই বিমানে ই-টিকিটিং : বিমানমন্ত্রী

সিলেটভিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানিয়েছেন, যাত্রীসেবার মান আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বিমান। শনিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মমতাজ বেগমের এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড ২০০৭ সালের মার্চ মাস থেকে দেশ ও বিদেশের সকল অফিস থেকে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের জন্য ইলেকট্রনিক টিকিট (ই-টিকিট) কার্যক্রম শুরু করে। বিমানে সকল আন্তর্জাতিক যাত্রী দেশ থেকে বিদেশ ও বিদেশে থেকে দেশের অভ্যন্তরে সকল গন্তব্যের জন্য ইলেকট্রনিক টিকিট ও চেক-ইনের মাধ্যমে সেবা গ্রহণের সুযোগ পায়।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০১৩ সাল থেকে সম্মানিত হজযাত্রীদের জন্যও ইলেকট্রনিক টিকিট চালু করা হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের জন্য ইলেকট্রিক টিকিট ইস্যু কার্যক্রম ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে চালু হয়েছে। এছাড়াও সিট রিজারভেশন ও টিকিট ক্রয়ের জন্য অনলাইন সিস্টেম ২০১০ সালের আগস্ট থেকে চালু রয়েছে। যাত্রীগণ বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসে বিমানের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকেট বুকিং ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে পারেন।

বিমানমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইন্টারনেট বুকিং কার্যক্রম আরো আধুনিকভাবে চালু করা হয়েছে। উপরন্তু ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে পরিপূর্ণভাবে ‘টিএপি’ (ট্রাভেল এজেন্সি পোর্টাল) পদ্ধতি চালু হওয়ায় এজেন্টরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বুকিং ও টিকিট করার সুযোগ পাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রেভিনিউ ইন্টিগ্রিটি (আরআই) ও রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট (আরএম) চালুর ফলে যাত্রী সাধারণের সেবার মান বৃদ্ধি এবং চাহিদা মতো টিকিটের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ যাত্রীদের উন্নত সেবা প্রদানের জন্য নতুন হুইপ চেয়ার সংগ্রহ করা হয়েছে। তদুপরি হুইল চেয়ার পরিচালনার জন্য নারী কর্মীসহ কিছু কর্মীকে নির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে এবং নতুন আরো হুইল চেয়ার ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যাত্রীসেবার মান্নোয়নে আগমনী ও বহির্গমন যাত্রী হলে দু’টি গ্রাহক সেবা ডেস্ক প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সম্মানিত যাত্রীদের সেবার মান উন্নতিকল্পে বিমানের চেক-ইন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক ‘সফটওয়ার’ প্রবর্তন করার ফলে উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিত হয়েছে। এ ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে যে সমস্ত যাত্রী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট স্টেশন হয়ে বিদেশ ভ্রমণ করবেন তাদের ট্রানজিট, বোর্ডিং কার্ড মূল স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালে হজযাত্রীদের জন্য ফিরতি বোর্ডিং কার্ড এবং মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের হোটেল থেকে তাদের ব্যাগেজ সংগ্রহপূর্বক জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বেতন স্কেল ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি প্রধান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড (নন-ক্যাডার) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open