বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১ : ৬:৪৪ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

আজকের জোকস

সিলেটভিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম :   আজকের জোকস :-

 জোকস – ০১ : ছাত্র-শিক্ষক!!! 

সরকার সিদ্ধান্ত নিল গ্রামের অশিক্ষিত লোকেদের পড়াশোনা শেখানো হবে। সেইমত এক শিক্ষক গ্রামে গিয়ে পড়াচ্ছেন…….
‘A’ for অ্যাপেল,
‘B’ for বল….. কিন্তু কেউ কিছু বুঝতে পারছেনা। তখন শিক্ষকটি ভাবনা চিন্তা করে অন্য এক উপায় বার করলো। তিনি পড়াতে লাগলেন……
‘A’ for অপুর মা,
‘B’ for বল্টুর মা,
‘M’ for মুন্নির মা,
‘P’ for পাপ্পুর মা,
‘T’ for টুনির মা…….

কয়েকদিন পর শিক্ষক ভাবলো, এদের পরীক্ষা নেওয়া যাক। শিক্ষক বোর্ডে ‘W’ লিখে এক লোককে জিজ্ঞাসা করলেনঃ বলোতো, এটা কি লেখা আছে…..??
লোকটি বললঃ স্যার, দেখে তো মনে হচ্ছে,———–মুন্নির মা উল্টে শুয়ে আছে।

 জোকস – ০২ : ছাত্র-শিক্ষক!!!

শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে কথোপকথোন….

শিক্ষকঃ ধরো তোমাকে বলা হলো ৪ জন মানুষের মধ্যে ৩ টা আপেল ভাগ করে দিতে । কিন্তু আপেল কাটা যাবেনা । কিভাবে ভাগ করে দিবে ?

ছাত্রঃ —-এটা কনো বেপার হল , ছুরি দিয়ে একজনকে ঘ্যাচাং কইরা দিমু , আর তিন জনরে তিনটা আপেল দিয়া দিমু ।

 জোকস – ০৩ : স্বামী-স্ত্রী!!!

রাত্রে স্বামী স্ত্রী দুজনে শুয়ে ছিল…. রাত দুটোর সময় হঠাৎ স্ত্রীর ফোনে ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো…..
চমকে উঠে স্বামী স্ত্রীর ফোনে BEAUTIFUL লেখা দেখে স্ত্রীকে উঠিয়ে বললোঃ তোমার ফোনে ম্যাসেজ এসেছে BEAUTIFUL. তোমার ফোনে এমন ম্যাসেজ, কেন…??
স্ত্রী ধড়পড় করে উঠে বললোঃ “এই ৪৫ বছর বয়সে কে আর BEAUTIFUL বলবে….!!”  তারপর মোবাইল দেখে চিৎকার করে স্বামীকে বললোঃ এবার থেকে চশমা পরে ফোন হাতে নেবে। ওটা BEAUTIFUL লেখা নয়,
———ফোন চার্জে দেওয়া ছিল, তাই BATTERYFULL লেখা দেখাচ্ছে…

 জোকস – ০৪ : ছাত্র-শিক্ষক!!!

ক্লাসে স্যার ছাত্র ছাত্রীদের বললঃ “একটা গান করোতো”

ছাত্রছাত্রীঃ ok স্যার ।
ছাত্রীঃ আতা গাছে তোতা পাখি, নারকেল গাছে ডাব ।
ছাত্রঃ তোরে আমি বিয়া করবো, কি করবে তোর বাপ ??
স্যারঃ It’s 100% Love.. Love.. Love.

 জোকস – ০৫ : মন্ত্রীরে কেউ মাইরালা!!!

গ্রামের এক স্কুল পরিদর্শন করতে গেলেন এক পরিদর্শক। ক্লাসে ঢুকে এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, বল তো, সোমনাথের মন্দির কে ভেঙেছে?
ছাত্র বলল, আমি ভাঙি নি স্যার!
পরিদর্শক রেগে শিক্ষককে বললেন, আপনার ছাত্র এসব কী বলছে!
শিক্ষক নরম গলায় বললেন, স্যার, আমি জানি, ও মন্দির ভাঙার মত ছেলে না।
পরিদর্শক ক্লাস ছেরে হেডমাস্টারের রুমে গেলেন।
– আপনার ছাত্র-শিক্ষক এ-সব কী বলছে! সোমনাথের মন্দির নাকি তারা ভাঙে নি।
হেডমাস্টার বললেন, জি স্যার, আমি জানি, আমার ছাত্র-শিক্ষকরা এমন কোনো কাজ করে নি।
পরিদর্শক ফিরে গিয়ে এই মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীকে বিস্তারিত জানিয়ে ওই স্কুল বাতিল করার জন্য সুপারিশ করলেন। মন্ত্রী সব শুনে বললেন, সামান্য একটা মন্দির ভাঙার জন্য কেন এত হইচই করছেন। টাকা নিয়ে যান। নতুন করে একটা বানিয়ে নিন।

জোকস – ০৬  : ছিনতাইকারী!!!

বাসে এক ছিনতাইকারী এক যাত্রীর পকেটে হাত ঢুকাচ্ছিল। কিন্তু যার পকেটে হাত ঢুকাচ্ছিল, তিনি টের পেয়ে বললেনঃ এই যে ভাই, আপনি আমার পকেটে হাত ঢুকাচ্ছেন কেন..?
ছিনতাইকারীঃ দুঃখিত!! আমি মনে করেছিলাম এটা আমার পকেট।
এ সময়ে ঐ যাত্রী চট করে চিনতাইকারীর গালে থাপ্পড় মারল।
চিনতাইকারীঃ ভাই আপনি আমার গালে থাপ্পড় মারলেন কেন..???
যাত্রীঃ দুঃখিত!! আমি মনে করেছিলাম এটা আমার গাল।

জোকস -০৭  :ভাই-বোন!!!

এক পিচ্চি পোলা  আর  ওর বড় বোন রাস্তা দিয়া  হাইটা যাইতেছিল। তখন পিচ্চি  ওর বোনরে জিগায় “আপু এই পাশের ঘাস বড়  আর  ওই পাশের ঘাস ছোট কেন? বোন বলে  এখানে গোবর আছে  তাই ঘাস বড় হইছে  আর ওখানে গোবর নাই তাই ঘাস ছোট। এই কথা শুইনা ছোট ভাই বলে “তাইতো বলি তোমার মাথার চুল এতো বড় আর  আমার চুল এতো ছোট কেন!”


জোকস -০৮  : মাতাল!!!

তিন জন ক্রিকেট প্রেমী লোক মদ খেয়ে মাতাল হয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে আর বলছে,
১ম মাতাল: চল বন্ধু আমরা অষ্ট্রোলিয়া চলে যাই| তাহলে ক্রিকেট খেলাও দেখা হবে আর মদও খাওয়া যাবে|
২য় মাতাল: আমি কিন্তু তোদের মত হেটে যেতে পারব না | আমার কাছে অনেক টাকা আছে| আমি সি.এন.জি তে করে যাব|| এমন সময় এক সি.এন.জি ওয়ালাকে দাড় করিয়ে অস্ট্রোলিয়া যাওয়ার কথা বলতেই ড্রাইভার বুঝতে পারল এরা মাতাল হলেও অনেক ধনী | তাই সে একটা বুদ্ধি করে তাদের কে 10000 টাকার বিনিময়ে গাড়িতে উঠতে বলল |
এর পর কিছুক্ষন গাড়িটি চালু করে এক জায়গাতেই রেখে দিল| ২ মিনিট পর বলল, তারা এখন অস্ট্রোলিয়া| একথা শুনে,
১ম মাতাল: ঐত বিদেশি মদের দোকান দেখা যাচ্ছে| চল চল|
২য় মাতাল: গাড়ির ড্রাইভারটা তো খুব ভালো গাড়ি চালায়||
৩য় মাতাল “কুত্তার বাচ্চা ড্রাইভার” বলে ড্রাইভারের গালে একটা চড় মারে| তখন ড্রাইভার মনে করল যে হয়তবা এই লোক তার কুবুদ্ধিটা বুঝে ফেলেছে| তবুও চড় মারার কারন জানতে চাইলে ৩য় মাতাল বলে,

——-শালা এত জোরে কেউ গাড়ি চালায়? যদি এক্সিডেন্ট হইত!!

 জোকস – ০৯ : বল্টু!!!

বাংলার ক্লাসে ম্যাডাম রেগে গিয়ে বললেন “বাংলা বলতে কী কষ্ট হয়..? বাংলার ক্লাসে বাংলাতেই বলতে হবে। তারপর পাপ্পু বলল : “ম্যাডাম আমি কি মূত্র ত্যাগ করতে যেতে পারি..?” ম্যাম : “যাও।”
পরের দিন ইংরাজী ক্লাস চলছে তখন
পাপ্পু স্যারকে বলল “স্যার, আমি কি মূত্র ত্যাগ করতে যেতে পারি..?” স্যার রেগে গিয়ে বললেন “ইংরেজীর ক্লাসে ইংরেজীতে বল।” পাপ্পু তখন ইংরাজীতে বলল, ও বুঝল যে যেই ক্লাস হবে, সেই ভাবে বলতে হবে, নাহলে টিচাররা রেগে যান।
পরদিন গানের ক্লাস হচ্ছে তখন পাপ্পু বকুনি যাতে খেতে না হয় তাই বলল,

“ও…….ও….. . আ…..আঃ…….উ…….উঃ….. …… হাগা ধরছে!, আমি বাথরুমে যাবো কি, যাবো না………ম্যা ডাম তুমি বলো

জোকস – ১০ : ইংরেজি ও আরবি:
ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো “ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল” এর ইংরেজি কি হবে?
>: এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি |
>: আরবিটা পারবে? ঠিক আছে বল |
>: ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

হোয়াইটহেডস দূর করতে গোলাপজলের প্যাক

লাইফস্টাইল ডেস্ক :: ত্বকে হোয়াইটহেডস নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। বিশেষ করে হোয়াইটহেডসের কারণে মেকআপ করলে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open