সোমবার, মে ১৭, ২০২১ : ৯:৪২ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

নিজঘরে তাবলীগ জামায়াতের আমির খুন

 সিলেট নগরীর চারাদিঘিরপার সওদাগরটুলায় তাবলীগ জামায়েতের আমির ইব্রাহিম আবু খলিল (৫৫) কে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে পুলিশ ইব্রাহিম আবু খলিলের লাশ নগরীর চারাদিঘীরপাড় এলাকার ১নম্বর বাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ইব্রাহিম ওই বাসার মৃত সাদ উদ্দিন আল হাবীবের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্ত্রী ও ছোট ছেলে হাফিজ সাজেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার এসএম সাজ্জাদুল আলম সবুজ সিলেটকে জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে ইব্রাহিম খলিলকে খুন করা হতে পারে বলে আমাদের ধারণা। তিনি বলেন, আমাদের সন্দেহের চোখ তাঁর স্ত্রীর দিকে। পুলিশের কাছে ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী ফাতেহার দেয়া তথ্য থেকেই আমরা হত্যার মূলরহস্য উদঘাটন করতে পেরেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ওই হত্যাকান্ডে নিহতের স্ত্রী জড়িত রয়েছেন। তাকে সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভারত থেকে তাবলীগ জামায়াতের ২ মাসের চিল্লা শেষ করে রোববার রাতে বাসায় ফিরেন ইব্রাহিম আবু খলির। ওই রাতের যেকোনো এক সময় ইব্রাহিমের শয়নকক্ষে তাঁকে জবাই করে হত্যা করা হয়।
নিহতের ছোট ছেলে সাজিদ উদ্দিন জানায়, রোববার দিবাগত রাতে খাওয়া-ধাওয়া সেরে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন তার বাবা। গতকাল সোমবার সকালে তার বাবার ঘরের দরজা খোলা পাওয়া যায়। এসময় ঘরের খাটের নীচে হাত বাঁধা ও গলা কাটা অবস্থায় লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মুখের উপর একটি বালিশ চাপা দেয়া ছিল। বিষয়টি পুলিশকে জানালে, পুলিশ সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সাজিদ জানান, নিহত ইব্রাহিম তাবলীগ করতেন। ঘাতকরা ঘরে থাকা ল্যাপটপ ও স্বর্ণ নিয়ে গেছে বলে জানান সাজিদ।
কোতোয়ালি থানার ওসি সোহেল আহমদ জানান, তাঁকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। লাশের মাথায়, পেটে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
অরদিকে, গতকাল নিহত ইব্রাহিম খলিলের চারাদিঘীরপাড়স্থ বাসায় গিয়ে দেখা যায় বাসাটি তালাবদ্ধ। এসময় স্থানীয়রা জানান, লাশ ময়না তদন্ত শেষে পুলিশ নগরীর মধুশহীদ ইব্রাহিমের ভাইয়ের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে। এরপরই মধুশহীদ গেলে ইব্রাহিমের স্বজনরা জানান, বিকেলে লাশের গোসল শেষ করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে। তারা জানান, ৩ সন্তানের জনক ইব্রাহিম খলিল চারাদিঘীরপাড় এলাকার তাবলীগের আমির ছিলেন। বছরের অধিকাংশ সময়ই তিনি কাটিয়ে দিতেন তাবলীগে। ইব্রাহিমের বড় ছেলে মাওলানা হুজায়ফা, দ্বিতীয় ছেলে মাওলানা তানজিম ও ছোট ছেলে হাফিজ সাজিদ। বড় ছেলে মাওলানা হুজায়ফা, দ্বিতীয় ছেলে মাওলানা তানজিম বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা তাবলীগে রয়েছেন। তারা গতকালই পটুয়াখালী থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন। তারা আসার পর জানাজার নামায অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। আর ছোট ছেলে সাজিদ বর্তমানে পুলিশী হেফাজতে রয়েছে।
নিহত ইব্রাহিম আবু খলিলের ভাগ্নে ফরহাদ জানান, তাঁর মামার মাথার পেছনে, পেটে ৩টি কুপ দিয়ে এবং জবাই করে হত্যা করা হয়েছে।Avgvi PvPv‡Zv fvB  Rbve AvRgj û‡mb †ZvqvKzj BDwbq‡bi m¤¢ve¨ †Pqvig¨vb c` cÖ_x©

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বিশ্বনাথে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি মেম্বার গ্রেফতার

সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে উপজেলার দৌলতপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open