শনিবার, ডিসেম্বর ৫, ২০২০ : ৬:১৯ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

হ্যাপির নারাজি খারিজ, রুবেলকে অব্যাহতি

জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় পুলিশের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপির নারাজি খারিজ করে রুবেলকে অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইবুনাল।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিনা ইসমাইল ক্রিকেটার রুবেলকে অব্যাহতি দেন।

গত ১৭ মে হ্যাপি ট্রাইব্যুনালে এ নারাজি দাখিল করেছিলেন। শুনানির সময় রুবেল ও হ্যাপি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে হ্যাপির আইনজীবী তুহিন হাওলাদার জানান, মামলার তদন্ত সঠিকভাবে না হওয়ায় হ্যাপি এ নারাজি দাখিল করেছিলেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, মামলার বাদী সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেননি। অথচ আইনের বিধান থাকার পরও মূলত তিনি সাক্ষী হাজির করতে বাদীকে কোনো নোটিসই দেননি।

নারাজি আবেদনে ৮জন সাক্ষীর একটি তালিকাও দেওয়া হয়।

গত ৬ এপ্রিল ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক হালিমা খাতুন।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে মিরপুর থানায় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর রুবেলের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন হ্যাপি। এ মামলায় ৪দিন কারাগারেও ছিলেন রুবেল। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নিয়ে অসাধারণ নৈপূণ্য প্রদর্শন করেন এ পেস তারকা।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাদী হ্যাপির উপস্থাপন করা নাইটি, পাপোষ ও জার্সিতে রুবেলের বীর্য পাওয়া যাবে বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তার সত্যতা পাওয়া যায়নি।

তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড তার শারীরিক পরীক্ষা করে মতামত দিয়েছিলেন যে, হ্যাপির শরীরের কোথাও কোনো ধরনের ধর্ষণের  প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাদী প্রাপ্তবয়স্ক নারী। এ হিসেবে পারস্পরিক সম্মতিতে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে বাদী হ্যাপির অভিযোগের দায় থেকে রুবেলকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলা দায়েরের পর পরই গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্টে হাজির হয়ে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন রুবেল। বিচারপতি সৈয়দ এবি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে আগাম জামিন দেন।

আইন অনুসারে বিচারিক আদালত থেকেও জামিন নিতে হয়। সে কারণে আগাম জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই গত ৮ জানুয়ারি সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান রুবেল।  তার এ আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার সাদাতের আদালত।

পরে ১১ জানুয়ারি রুবেলের জামিনের আবেদন জানানো হলে মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইমরুল কায়েস। ওইদিন বিকেলেই কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে পরদিন ১২ জানুয়ারি থেকে জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাম্পে যোগ দেন তিনি। ২৪ জানুয়ারি দলের সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলতে যান দেশের এ নির্ভরযোগ্য ও কৃতি পেসার।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

‘প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট :: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক বলেছেন, সেনা সদস্যদের কঠোর …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open