বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১ : ৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

চেঙ্গেরখাল থেকে আসবে নগরীর পানি : পরিকল্পনা সিসিকের

 নগরবাসীর জন্যে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করতে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বৃহৎ পরিসরে চেঙ্গেরখালে একটি পানি শোধনাগার কেন্দ্র স্থাপন ও ব্রিটিশ আমলে নির্মিত তোপখানার পানির পাম্পের মেরামত ও উৎপাদন বৃদ্ধি। প্রথম প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সুরমার পানির সাথে নগরবাসী পাবেন চেঙ্গেরখালের পানিও।

সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, নগরবাসীর প্রতিদিনের পানির চাহিদা ৮ কোটি লিটার। সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৪টি ওয়ার্ডে সিটি করপোরেশন থেকে পানি সরবরাহ করা হয়। ২৫, ২৬ ও ২৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এখনো সিটির পানি থেকে বঞ্চিত। পানি সরবরাহের জন্যে ৩০টি পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে ১৯৮৫ সালে পাঁচটি, ১৯৯৮ সালে ১৩টি এবং ২০১২ সালে ১২টি পাম্প বসানো হয়েছে।এই ৩০টি পাম্প থেকে ১ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা হয়। এছাড়া ব্রিটিশ আমলে নির্মিত তোপখানার পাম্প থেকেও পানি পান নগরবাসী। এই পাম্প প্রতিদিন ঘণ্টায় ৬শ লিটার পানি শোধন করতে পারে। এছাড়া অন্যান্য সোর্স থেকে আরও কিছু পানি পান নগরবাসী। সব মিলে ৩ কোটি লিটারের মত পানি সরবরাহ করতে পারে সিটি করপোরেশন। চাহিদার তুলনায় এটা খুবই কম। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু হলে আরও কিছু পানি সরবরাহ করা যাবে। কিন্তু এটি সম্পন্ন হতে দেরি হওয়া নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তীব্র পানিসংকটের পরও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের ১৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ প্রকল্পের কাজ থমকে আছে। ১০ বছর ধরেও উৎপাদনে যেতে পারেনি প্রকল্পটি।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবিব জানিয়েছেন, নগরবাসীর পানি সমস্যা দূর করতে সিটি করপোরেশন আপাতত ব্রিটিশ আমলে নির্মিত তোপখানা পানির পাম্পকে মেরামত ও উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এজন্যে খুব শিগগিরই টেন্ডার আহবান করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে ৫/৬ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। এটি করতে পারলে বর্তমানে পাওয়া ৬শ’ লিটারের পরিবর্তে ঘণ্টায় ২ হাজার লিটারের মত পানি পাওয়া যাবে।

এছাড়া দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বৃহৎ পরিসরে একটি ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ স্থাপন। এর জন্যে সিলেট সদর উপজেলার চেঙ্গেরখালে ১৬ একর জমি নির্বাচান করা হয়েছে। এই জমি অধিগ্রহণ করতে ও প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমোদনের জন্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই প্রকল্প সম্পন্ন করতে ৩২১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে বলে তিনি জানান।

চেঙ্গেরখালের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আগামিতে নগরীর বর্ধিত পানির চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব হবে বলে প্রধান নির্বাহী আশা প্রকাশ করেছেন।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সিলেটে আদালতপাড়া থেকে আসামির পলায়ন নিয়ে তোলপাড়

দুই শ’ পিস ইয়াবাসহ গত মঙ্গলবার র‌্যাব-৯ এর একটি দল আটক করেছিল তাকে। এরপর থানায় …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open