মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০ : ১:৪৮ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

ক্বীনব্রীজে আলো নেই, আছে গ্রামীণফোন

সিলেটের ঐতিহ্যের প্রতীক ক্বীনব্রীজ। সংশ্লিষ্টদের অবহেলা আর অযতেœ হারিয়ে যাচ্ছে তার সৌন্দর্য। শুধু চলার উপযোগী করে রাখতে পারলেই যেন খুশি থাকেন সংশ্লিষ্টরা। অথচ ঐতিহ্যের এই ধারককে আরো টেকসই এবং সৌন্দর্যবর্ধনে নেই দীর্ঘমেয়াদি কোন পরিকল্পনা।

৭৯ বছর বয়সী সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ক্বীনব্রীজের সৌন্দর্যবর্ধনে ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে সিলেট সিটি করপোরেশন  ব্রীজে রঙের প্রলেপ ও আলোকসজ্জার উদ্যোগ নেয়। সাথে যুক্ত হয় বেসরকারি মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। তাদের যৌথ অর্থায়নে জুন মাসের শেষ দিকে ব্রীজের উভয় পাশের গেট ও ব্রীজের উপরে লাগানো হয় ১২টি সার্চ লাইটসহ হরেক রকম সৌন্দর্যবর্ধনকারী বাতি।  এই বর্ণিল আলোকসজ্জায় সন্ধ্যার পর ক্বীনব্রীজ এলাকায় নান্দনিকতার ছোঁয়া লেগেছিল।

কিন্তু সংশ্লিষ্টদের অমনোযোগিতার কারণে এগুলো স্থাপন করার কয়েকদিন পরই প্রায় অর্ধেক বাতিগুলো ঠিকমতো কাজ করছিলনা। বেসরকারী মোবাইল অপারেটর গ্রামীনফোন এই উন্নয়নে তাদের উপস্থিতির প্রমানস্বরুপ ব্রীজের উভয় পাশের গেটে তাদের সাইনবোর্ড ও ব্রীজের উপরে আলোকসজ্জার মাধ্যমে তাদের লোগো স্থাপন করে।

সম্প্রতি ক্বীনব্রীজ এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সৌন্দর্যবর্ধনকারী এসব বাতিগুলোর ৯০ শতাংশই অকেজো।  আর যে বাতিগুলো কাজ করছে সেগুলোও জ্বলছে নিভু নিভু করে।  কিন্তু বাতিগুলো অকেজো হলেও কোন ক্ষতি হয়নি গ্রামীনফোন-এর সাইনবোর্ডের। গ্রামীনফোন-এর এই সাইনবোর্ড গুলো এখনো অক্ষতভাবে দাড়িয়ে আছে ক্বীনব্রীজের স্বল্পমেয়াদি উন্নয়নের স্বাক্ষী হয়ে।

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

সেই রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

আত্মহত্যা’ করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির সাবেক …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open