সোমবার, মার্চ ৮, ২০২১ : ৭:০৯ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদঃ

সিলেটে তাবলীগ জামায়াতের আমির খুনের ঘটনা ‘স্ত্রীর একা হত্যা করা অসম্ভব কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা হচ্ছে’

 ইব্রাহিম আবু খলিলকে তার স্ত্রী একা হত্যা করেছেন এটা অসম্ভব, কাউকে বাঁচানোর চেস্টা থেকেই স্ত্রী ফাতেহা মাশকুরার এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পুলিশও এই স্বীকারোক্তি নিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ মনে করছে। কিন্তু একজন নারী যে একা একজন সুস্থ্য সবল মানুষকে হত্যা করা অসম্ভব এটা তারা রহস্য জনক কারণে আমলে নিচ্ছে নাÑএমন অভিযোগ নিহত ইব্রাহিম আবু খলিলের স্বজন ও বন্ধু মহলের। অনেকের ধারণা, তিনি খুনে শরিক থাকলেও তাঁর একার পক্ষে এটা ‘কিছুতেই’ সম্ভব নয়। কেউ না কেউ এর সাথে জড়িত রয়েছে। কোনো কারণে হয়তো ‘সেই কেউ বা একাধিক ব্যক্তিকে’ আড়াল করতে চাইছেন স্ত্রী ও পুলিশ। কী সেই কারণ তা নিয়েও জনমনে বিস্তর গুঞ্জন। তবে এতসব ভাবনায় নিচ্ছে না পুলিশ। তারা জবানবন্দিকেই খুনের ‘রহস্য উদঘাটন’ মনে করছে।পারিবারিক একাধিক সূত্র বলছে, একজন নারীর পক্ষে শক্তিশালী সামর্থবান একজন পুরুষকে একা খুন করাটা ‘প্রায় অসম্ভব’। কেউ না কেউ নিশ্চয় তাকে সহযোগিতা করেছেন। সেই কেউ হয়তো, স্ত্রীকে বাধ্য করেছেন ‘দায়টা’ তার একার কাঁধে নিতে। এমন কিছু হয়তো তারা স্ত্রী ফাতেহা মাশকুরাকে বলেছে, যে কারণে তিনি স্বেচ্ছায় সব দায় নিজের ওপর নিয়েছেন। কিন্তু সেই কারণটা কী তারা স্পষ্ট করে বলছেন না। তাদের দাবি, পুলিশ যদি ব্যাপারটা নিয়ে অধিকতর তদন্ত করে, তবে হয়তো রহস্যের উদঘাটন হতে পারে।

এসব বক্তব্যের বাইরে ইব্রাহিম আবু খলিলের পরিবার সূত্র অবশ্য বলছে, খুনের আগে খাবারে ঘুমের মাত্রাতিরিক্ত ঔষধ ব্যবহার করা হয়েছে। যে কারণে সবাই গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পড়েন। একই অবস্থা হয় ইব্রাহিম আবু খলিলেরও। এর স্বপক্ষে তারা বলছেন, খুনের পর তারা ওই সময় বাসায় অবস্থানকারী ইব্রাহিমের ছোট ছেলে ও গৃহকর্মীকে প্রচন্ড রকমের ঘুমাচ্ছন্ন দেখেছেন।
তবে, জবানবন্দিতে তাবলীগ জামায়াতের আমীর ইব্রাহিম’র চরিত্র সম্পর্কে যেসব অভিযোগ স্ত্রী এনেছেন সেগুলোকে অবান্তর বলে মনে করছেন তারা। তারা বলছেন, এমনটা আমরা কখনো শুনিনি। তবে, স্ত্রীকে সময় না দেওয়ার অভিযোগের খানিকটা ‘বাস্তবতা’ সত্য।
এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. রহমত উল্লাহ বলেছেন, কে খুন করেছেন সেটা তো তিনি (তার স্ত্রী) নিজেই স্বীকার করেছেন। স্বীকার না করলে তখন কে করেছে কেন করেছে সেটা তদন্ত করার দরকার হত। এখন তো খুনি চিহ্নিত। আর তিনিই বলবেন কেন খুন করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ মে রাতে নিজ ঘরে খুন হন তাবলিগ জামায়াতের সাথী। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী ফাতেহা মাশকুরা খুনের দায় স্বীকার করেন। গত ১৯ মে সিলেটের মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন

এছাড়াও নিম্নের সংবাদগুলো দেখতে পারেন...

বিশ্বনাথে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি মেম্বার গ্রেফতার

সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে উপজেলার দৌলতপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open